মেইন ম্যেনু

জেনে নিন স্বাস্থ্যের উপকারে আপেল খাবার “সঠিক” নিয়ম

আপেল খেলে রোগ-বালাই দূর থাকে এটা বলা হয়ে থাকে বটে। কিন্তু আপেল খাওয়ার আছে কিছু কৌশল, যা অনুসরণ করলে অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে পারেন আপনি। যেমন বিশেষ কিছু সময়ে এবং অন্য কিছু খাবারের সাথে আপেল খেলে বোনাস কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। জানতে চান কী সেসব কৌশল?

১) গ্রিন টি পানের সময়ে খান আপেল

গ্রিন টি এবং আপেল একসাথে খাওয়া হলে এই দুইটি থেকে পাওয়া প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো একত্রিত হয়ে তৈরি করে একটি মিশ্রণ যা vascular endothelial growth factor বা VEGF নামের একটি রাসায়নিককে বাধা দেয়। এই রাসায়নিক হৃদরোগের প্রকোপ বাড়াতে ভূমিকা রাখে এবং ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। শুধু তাই নয় আপেল খেলে বিভিন্ন ওষুধের প্রয়োজন কমে যায় এবং গ্রিন টি কোলেস্টেরল কমায়।

২) খাবারদাবার কিনতে যাবার আগে একটি আপেল খেয়ে নিন

দেখা যায় খাবার কিনতে যাবার আগে আপেল খেয়ে নিলে মানসিকতায় পরিবর্তন আসে। ফলে কেনাকাটা করার সময়েও তারা ভালো, স্বাস্থ্যকর খাবার কিনে থাকেন। তারা সাধারণত অন্তদের চাইতে ২৫ শতাংশ বেশি ফল ও সবজি কিনে থাকেন।

৩) আপেল আর কমলা দুটোই খান

কেউ পছন্দ করেন আপেল, কেউ পছন্দ করেন কমলা। কিন্তু বৈষম্য না করে দুটোই খান। আপেল, কমলা, কলা এসব টাটকা ফল খাবার ফলে মস্তিষ্কের ওপর কম চাপ পড়ে এবং ক্ষতি কম হয়। এসব খাবার আলঝেইমার্সের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক।

৪) দুপুরের খাবারে পর একটি আপেল

দুপুরে লাঞ্চ করার পর দুয়েক ঘন্টার মাঝেই অনেকের খিদে পেয়ে যায় আর এই খিদে সামলাতে তারা জাঙ্ক ফুডের দিকে হাত বাড়ান। এই সমস্যা যাতে না হয় তার জন্য লাঞ্চের কিছু সময় পর খেতে পারেন একটি আপেল। আপেলে আছে প্রচুর পেকটিন যা অনেকটা সময় খিদে কমিয়ে রাখতে সক্ষম।

৫) আপেলের সাথে চকলেট

আপেল এবং ডার্ক চকলেট দুটোতেই আছে দুই ধরণের ফ্ল্যাভানয়েড। এই দুটো এক হয়ে রক্ত জমাট বেঁধে ধমনি বন্ধ হওয়া রোধ করে। ফলে হৃদরোগের প্রকোপ কম থাকে।

৬) দিনে একটা হলেও আপেল খান

দৈনিক অন্তত একটা আপেল খেলে উপকার আপনারই। বিভিন্ন রঙের ফল ও সবজির ওপর গবেষণা করে দেখা যায়, দৈনিক খাদ্যভ্যাসে সাদা রঙের যে কোনো ফল বা সবজি(যেমন আপেল, নাশপাতি, মাশরুম অর্থাৎ যাদের ভেতরটা সাদা) ২৫ গ্রাম খাওয়া হলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা ৯ শতাংশ কমে যায়।

তথ্য: 7 of the Best Ways to Eat Apples for Ridiculous Health Benefits, Reader’s Digest






মন্তব্য চালু নেই