মেইন ম্যেনু

জেলে কমোড না থাকায় আসামির জামিন!

জামিনে মুক্তি পাওয়ার জন্য আইনি যুক্তি লাগে। বাদি-বিবাদির টানাপড়েনে সেই যুক্তি আইনের সিলমোহর পায়। কিন্তু জামিন পাওয়ার এমন যুক্তি? ভারতের ইতিহাসে নজিরবিহীন সম্ভবত।

চোরাপথে স্বর্ণের বার নেয়া হচ্ছিল ভারতে। কিন্তু অাসামের পুলিশের হাতে তা ধরা পড়ে যায়। কিন্তু তার পরে? অভিযোগ, কর্নেল যশজিৎ সিংহ প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা মূল্যের ওই সোনা চুরি করেছেন। এই অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তবে, তাকে কারাগারে বন্দি রাখা যায়নি। কারণ, তাকে যেই কারাগারে রাখা হয়েছিল সেখানে কোনো কমোড নেই!

আর এ কারণে, কর্নেল যশজিতের শরীর নাকি দিনে দিনে খারাপ হচ্ছিল। দেশি সিস্টেমে যশজিতের পেট পরিষ্কার হচ্ছিল না বলে আদালতকে জানানো হয়েছে। ফলে, কর্নেল যশজিৎকে ৬০ দিনের অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে আদালত। কর্নেল যশজিতের আইনজীবী জানিয়েছেন, বাথরুমে তার মক্কেলের অত্যন্ত কষ্ট হচ্ছিল। ইন্ডিয়ান সিস্টেম থাকায় তার পেট পরিষ্কার হচ্ছিল না। ফলে, তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন।

তার আইনজীবী জানান, সিয়াচেনে যুদ্ধে কর্নেল যশজিৎ মারাত্মক আঘাত পেয়েছিলেন। তার শরীরের ৪০ শতাংশই কাজ করে না। ফলে বাথরুমে তার সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। এই যুক্তির পরেই আদালত তার জামিন মঞ্জুর করে।

১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাকে জামিন দেয়া হয়। মণিপুরের আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে তিনি আইজল ছাড়তে পারবেন না। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে আট জওয়ান-সহ কর্নেল যশজিৎ সিংহ আইজলে একটি গাড়ি আটক করেন। সেই গাড়িতে মায়ানমার থেকে চোরাপথে সোনা আনা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। কিন্তু অভিযোগ, কর্নেল যশজিৎ ও তার লোকেরা সেই সোনা জমা দেননি। আর সেই বিচারই এখন চলছে।-এবেলা






মন্তব্য চালু নেই