মেইন ম্যেনু

জেলে যেতে হবে মেসিকে!

কর ফাঁকি মামলার বেড়াজাল থেকে বেরই হতে পারছেন না লিওনেল মেসি। বরং, নতুন করে এই মামলা থেকে বাঁচতে যে আপিল করেছিলেন বার্সার আর্জেন্টাইন মহাতারকা, সেটা বাতিল করে দিয়েছে স্পেনের হাইকোর্টে। সুতরাং, শঙ্কা দেখা দিয়েছে- এ মামলায় মেসিকে জেলের গ্লানিও টানতে হতে পারে। কিংবা জেল থেকে বাঁচতে স্পেন ছেড়ে চলে যাওয়ারও শঙ্কা দেখা দিয়েছে তার।

কোপা আমেরিকা শুরু হবে হবে করছে। এমন সময়ই দুঃসংবাদটি পেলেন মেসি। মাত্র চারদিন আগে জিতেছেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি। দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে শুধু স্প্যানিশদের হৃদয়েই নয়, পুরো বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন ক্ষুদে জাদুকর। তারই যখন জেলে যাওয়ার খবর শুনছে ভক্তরা, তখন তাদের পক্ষে সেটা মেনে বলতে গেলে অসম্ভবই।

২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত না কি মোট ৪.৬ মিলিয়ন ডলার কর ফাঁকি দিয়েছেন মেসি। তার অর্থনৈতিক সব বিষয়াদি দেখাশোনা করে পিতা হোর্হে মেসি। অভিযোগ উঠেছে একসাথে তার বিপক্ষেও। যে কারণে ২০১৩ সালে প্রথম কাতালুনিয়ান শহর গ্যাভার একটি আদালতে হাজিরাও দিতে হয় বাবা-ছেলেকে।

শুধু তাই নয়, মেসির বিপক্ষে নিয়মবহির্ভূতভাবে বেলিজ এবং উরুগুয়েরর কাছে ব্যাক্তিস্বত্ত্ব বিক্রিরও অভিযোগ উঠেছে। একই সময় ট্যাক্স দেওয়া থেকেও বিরত থাকেন তিনি। যখন থেকেই তার বিপক্ষে কর ফাঁকির অভিযোগে মামলা করা হয়, তখন থেকেই মেসি এ ব্যাপারটা অস্বীকার করে আসছিলেন এবং বলছিলেন যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তাহলে তা তার অজ্ঞাতসারে ঘটেছে। একই সঙ্গে এ নিয়ে নানাভাবে কালক্ষেপন করতে থাকেন মেসি এবং তার বাবা।

তবে স্প্যানিশ আয়কর কর্তৃপক্ষ বলছে, কর ফাঁকির এই বিষয়গুলো মেসির জ্ঞাতসারেই হয়েছে এবং এ নিয়ে তাদের কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমানও রয়েছে।
শেষ পর্যন্ত যখন কর ফাঁকির মামলার বিপক্ষে তাদের আপিল খারিজ হয়ে যায় তখনই নিশ্চিত হওয়া গেছে বিচারের মুখোমুখিই হতে হচ্ছে আর্জেন্টাইন এই তারকাকে। অভিযোগ যদি আদালতে প্রমাণিত হয়েই যায় তাহলে ন্যুনতম এক বছরের জেল এবং ২৩.৭ মিলিয়ন ডলার জরিমানা দিতে হবে মেসিকে।

মেসির ডিফেন্স টিম সব সময়ই বলে আসছিল, কর ফাঁকির এসব বিষয় সম্পর্কে মেসি কিছ্ইু জানেন না। কিছু ঘটে থাকলে তার অজান্তে হয়েছে। এমনকি মেসি ৫.৭ মিলিয়ন ডলার জরিমানাও দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতেও পার পাচ্ছেন না তিনি। যদিও ইএসপিএনের বিখ্যাত সাংবাদিক গ্যার্বিয়েল মার্কোত্তি বলেছেন, এই মামলায় মেসির জেলে যাওয়ার সুযোগ কম।






মন্তব্য চালু নেই