মেইন ম্যেনু

জেল খেটেছেন যেসব তারকারা

শিল্পীরা নানাভাবে নিজেকে দর্শকদের সামনে নিজেদেরকে উপস্থাপন করেন। কখনো সেটা ইতিবাচক হয়, কখনো নেতিবাচক। নিজেদের গান, অভিনয় আর নানারকম পারদর্শীতার জন্যেও ভক্তের মনে এমন একটা জায়গা দখল করে রাখেন তারা যেটা সাধারণের ধরা ছোঁয়ার অনেক বাইরে। কিন্তু বাস্তবেও ঠিক এমনটাই নিখুত কি হন তারা। ঠিক যেমনটা তাদের ছবি সবাই নিজের মনে এঁকে রাখে? না! তাদের রয়েছে ব্যক্তি জীবন। তারকারাও সম্মুখীন হন নানারকম ঝুট ঝামেলার। আর তার ভেতরে রয়েছে পুলিশী ঝামেলাও।

অনেকেরই পিছু যেন ছাড়তেই চায় না আইনি ঝামেলা। বারবার পুলিশের কাছে আসামী হওয়া তারকাদের নিয়েই এই প্রতিবেদন।

আর. কেলি : বিখ্যাত এই র‌্যাপার ২০০২ সালে প্রথম পুলিশী ঝামেলায় জড়ান যখন ১৪ বছর বয়সি এক শিশুর সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন নির্যাতনের ভিডিও ফাঁস হয় তার। সরাসরি র‌্যাপার থেকে শিশু নির্যানকারীতে পরিণত হন তিনি। তবে পরবর্তিতে ভিডিওতে নিজের উপস্থিতি অস্বীকার করে ছাড়া পান এই তারকা। যদিও ২০০৩ সালে শিশু পর্ণোগ্রাফির অভিযোগে জেলে যেতে হয় তাকে।

লিল ওয়েইন : মাত্র নয় বছর বয়সে ১ মিলিয়ন অ্যালবাম বিক্রি করে ইতিহাস সৃষ্টি করেন এই হার্ড-কোর র‌্যাপার। তবে সেটুকুতেই সন্তুষ্ট ছিলেন না তিনি। মাদকদ্রব্য আর বেআইনী অস্ত্র রাখার জন্যে ২০০৭ সালে একটা লাইভ পারফর্ম্যান্সের পর আটক করে তাকে পুলিশ। এরপর ভ্রমনের সময় তাকে মারিজুয়ানা, কোকেনসহ আরো কিছু মাদক রাখার দায়ে গ্রেপ্তার হন। মোট ৪ বার জেলে যেতে হয়েছে এই তারকাকে।

মিখাইল রদ্রিগজ : ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াসখ্যাত এই তারকা প্রচন্ড গতিতে গাড়ি চালাতে পছন্দ করেন। আর তাই ডিইউআই এর তরফ থেকেই বেশি ঝামেলা পোহাতে হয়েছে তাকে। ২০০৬ সালে এক ডিইউআই এর জন্যে ৬০ দিন সাজার ভেতরে সাড়ে চার ঘন্টা কাটাতে হয়েছে তাকে জেলে। ২০০৮ সালে আরেকটি ডিইউআই এর জন্যে ১৮০ দিনের ভেতরে ১৮ দিন জেলে কাটান এই তারকা। পাঁচবার তাকে আটক করে পুলিশ।

লিন্ডসে লোহান : ২০০৭ সালে প্রথম আটক হন লিন্ডসে আর খোলেন নিজের পুলিশী খাতা। পরবর্তীতে ২ মাস পরেই আবার কোকেনসহ ধরা পড়েন তিনি। আগেরবার জেল এড়াতে পারলেও এবার ৮৪ মিনিট জেলে থাকতে হয় তাকে। পাঁচবার আটক হন এই তারকাও।

ও. জে সিম্পসন : দ্য জুইসের পাশাপাশি ১৯৯৪ সালে নিজের স্ত্রীকে খুন করার জন্যে অনেকেই একনামে চেনেন এই তারকাকে। তবে পরবর্তীতে ২০০৭ সালে অপহরন ও ডাকাতির অভিযোগে জেলে যান তিনি। মোট পাঁচবার জেলে গিয়েছেন এই তারকা।

সেন পেন : অতিরিক্ত রাগী এই তারকা খুব বেশি গুরুতর অপরাধ করেননি। বরং রাগারাগি করে সাংবাদিকের গায়ে হাত তোলার জন্যে সাজা খেটেছেন সববার। সেটার শুরু হয় ১৯৮৬তে। ৬০ দিন জেল খাটেন তিনি। তবে তাতে শিক্ষা হয়নি তার। ২০০৯ এ এসে আবার একই কাজ করেন। এখন অব্দি মোট ৬ বার জেলে গিয়েছেন এই তারকা।

রবার্ট ডোউনি জে : আরডিজে নামে বেশি পরিচিত এই তারকার জীবনের অনেকটা সময়ই কেটেছে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে। কিন্তু সেখান থেকে ফিরে এসে একটি টিভি সিরিজে অভিনয় করা শুরু করলেও আবার ২০০০ সালে জেলে যান তিনি মাদকের কারণেই। সিরিজ থেকেও বের করে দেওয়া হয় তাকে। মোট ছয়বার পুলিশ আটক করেছে তাকে।

জর্জ মাইকেল : হোয়াম দরের সঙ্গে কাজ করা এই গানের জাদুকর প্রথম জেলে যান ১৯৯৭ সালে। এরপর ২০০৭ ও ২০০৮ সালে মাদকের জন্যে জেলে যান তিনি। ২০১০ সালে শেষ তুনু মারিজুয়ানা ও ডিইউআই এর জন্যে জেলে যান। মোট ৭ বার আটক হয়েছেন তিনি।

মাইক টাইসন : কিশোর বয়সেই পরপর ৩৮ বার জেলে যান মাইক। তবে বক্সিং এ আসবার পর সেগুলোকে যদি ছেটে ফেলা যায় তাহলে মূলত মাদকের জন্যেই বেশ কয়েকবার জেলে যেতে হয়েছে তাকে। ১৯৯১ সালে ধর্ষনের অভিযোগে ৩ বছর জেলে থাকেন মাইক।

ববি ব্রাউন : নারী ও নেশায় আসক্তির কারণে বেশ কয়েকবার জেলে গিয়েছেন ববি। তবে ২০০৩ সালে ভয়াবহ কিছু কাজ করেন তিনি। মারামারিও করেন সেসময়। তবে এর আগেও লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো ও মারিজুয়ানা রাখার অপরাধে জেলে যেতে হয় এই তারকাকে।






মন্তব্য চালু নেই