মেইন ম্যেনু

জেল থেকে পালানোর কিছু অভিনব কাহিনী!

পরাধ করে ধরা পড়া আসামীর বিচার হয়। বিচারে জেল হয় অনেকের। কিন্তু কে আর জেলে থাকতে চায়? তাই সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে থাকে অনেক কয়েদি। পালিয়ে যেতে সবাই যে সবসময় সফল হয় তা কিন্তু নয়। তবু নানা কায়দায় চেষ্টা করে তারা। জেল থেকে পালানোর অভিনব কিছু কাহিনী নিয়ে আজকের আয়োজন। লিখেছেন এ রিয়াজ।

ইস্টারের ডিম : ১৯৮১ সালে সুইজারল্যান্ডের কয়েদি ভাল্টার স্টুয়র্ম করাত দিয়ে নিজের সেলের জানালা কেটে নিচে নেমে তারপর মই দিয়ে কারাগারের সীমানা পেরিয়ে যায়। পালানোর আগে তার সেলে একটি নোট লিখে যায়। তাতে লেখা ছিল, ‘ইস্টারের ডিম নিতে যাচ্ছি।’

চামচ আর ড্রিল : ১৯৬২ সালে সান ফ্রান্সিসকো বে-এর জেল থেকে পালিয়েছিলেন তিন ব্যাংক ডাকাত। ধারালো চামচ আর ড্রিল দিয়ে তারা নিজেদের সেলে গর্ত খুঁড়ে পালিয়ে যায়। নিরাপত্তা কর্মীদের বোকা বানাতে তারা তাদের বিছানায় নকল মাথা বসিয়ে রেখেছিল।

ওজন কমিয়ে : ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৮ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক নারী খুন করে আলোড়ন তুলেছিল থিওডোর রবার্ট বান্ডি। প্রথমবার জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ার পর দ্বিতীয়বার কলোরাডোর একটি জেল থেকে পালানোর জন্য নিজের ওজন ১৩.৫ কেজি কমিয়েছিল। সেলের উপর দেয়ালে লাইট বসানোর জন্য তৈরি করা গর্তের মধ্যে নিজের দেহ ঢোকাতে এ পরিকল্পনা করে সে। সফলও হয়েছিল।

হেলিকপ্টারে পলায়ন : যেন কোনো হলিউড ব্লকবাস্টার মুভির কাহিনী। হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামি পাসকাল পায়ে ফ্রান্সের একটি গ্রামের কারাগার থেকে অপহরণ করা হেলিকপ্টারে একবার নয়, দু’বার পালিয়ে যায়। প্রথমবার ২০০১ সালে, পরের বার ২০০৭ সালে।

বউয়ের ব্যাগে : ছবি দেখেই বোঝা যায়, এ কয়েদি কীভাবে পালানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পারেনি। ব্যাগের মধ্যে থাকা মেক্সিকোর এই আসামির নাম হুয়ান রামিরেস তিহেরিনা। অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে তার সাজা হয়েছিল। ২০১১ সালে তার স্ত্রী কারাগারে দেখা করতে যাওয়ার সময় এ ব্যাগ সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল। পরে স্বামীকে ব্যাগে ভরে বেরিয়ে আসার সময় ধরা পড়ে যায়।

দুইবার : ২০১৫ সালের জুলাই মাসে আবার জেল থেকে পালিয়েছে মেক্সিকোর মাদক সম্রাট গুসমান। গত ১৪ বছরে দ্বিতীয়বার এই কাণ্ড করে সে। এবার জেলখানায় নিজের সেলের গোসলখানার নিচে টানেল তৈরি করে পালায় সে। তাকে মেক্সিকোর সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবিশিষ্ট আলতিপ্লানো কারাগারে রাখা হয়েছিল।

বন্দুক আর ছুরি : ইউরোপের সবচেয়ে কড়া নিরাপত্তাবিশিষ্ট জেলখানাগুলোর মধ্যে একটি আয়ারল্যান্ডের দ্য মেজ। ১৯৮৩ সালে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সমর্থ হন স্বাধীন আয়ারল্যান্ডের স্বপ্ন দেখা আইরিশ রিপাবলিকান আর্মির ৩৮ সদস্য। গোপনে সংগ্রহ করা বন্দুক আর ছুরি দিয়ে তারা জেলের নিরাপত্তা কর্মীদের পরাস্ত করে পালিয়ে যান। -যুগান্তর






মন্তব্য চালু নেই