মেইন ম্যেনু

জোর করে খাওয়াবে ইসরায়েল

খেতেই হবে। না হলে জোর করে খাওয়ানো হবে। এমন বিধান রেখে ইসরায়েল সরকার পাস করল একটি নতুন বিল।

কারাগারে যেসব ফিলিস্তিনি অনশন করছেন, তাদের জীবন ঝুঁকিতে পড়লে জোর করে তাদের খাওয়ানো হবে। অনশনে জীবনঝুঁকি বাড়লে এবং এতে প্রাণহানি ঘটতে থাকলে তা ইসরায়েলের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। এই বিপদ থেকে উত্তরণের পথ হিসেবে জোর করে খাওয়ানোর আইন করছে দেশটি।

আলজাজিরা অনলাইনের এক খবরে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গিলাড এরডান এই বিল উত্থাপন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কারাগারে ফিলিস্তিনি অনশনকারীরা ইসরায়েলের জন্য ‘হুমকি’ সৃষ্টি করছে।

এরডান তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ইসরায়েলকে বয়কট ও মর্যাদাহীন করার পাশাপাশি কারাগারে সন্ত্রাসীরা অনশনের মধ্য দিয়ে ইসরায়েলের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।

বিলটি আইনে পরিণত করতে নেসেটে (ইসরায়েলের পার্লামেন্ট) পাঠানো হচ্ছে। যেহেতু মন্ত্রিসভায় বিলটি অনুমোদিত হয়েছে, সেহেতু এবার নেসেটেও তা পাস হবে এবং আইনে পরিণত হবে। উল্লেখ্য, গত বছর একই ধরনের বিল নেসেটে আটকে দেন এমপিরা।

কারাগারে বন্দিদের অনশন করার অধিকার রয়েছে। ইসরায়েলের অ্যাসোসিয়েশন ফর সিভিল রাইটস বলেছে, অনশনের মধ্য দিয়ে কোনো কিছু প্রত্যাখ্যান করা হয়। ফলে কারাবন্দিরা এ অধিকার সংরক্ষণ করেন।

ইসরায়েলের কারাগারে অসংখ্য ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন, যাদের নামে কোনো মামলা নেই। মামলা ছাড়াই ছয় মাস অন্তর নতুন বন্দি হিসেবে দেখানো হয় ফিলিস্তিনি বন্দিদের।






মন্তব্য চালু নেই