মেইন ম্যেনু

জোহা কোথায় জানে না কেউ!

সাইবার প্রযুক্তিবিদ তানভির হাসান জোহা কোথায় আছেন জানে না কেউ। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ তাকে অপহরণ করা হয়েছে। আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, তার ব্যাপারে কোনো তথ্য নেই তাদের কাছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির নজিরবিহীন ঘটনায় গণমাধ্যমে গণমাধ্যমে মতামত দিয়েছিলেন সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞ তানভির হাসান জোহা। তিনি র‌্যাবের ছায়া তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকে র‌্যাবের তদন্তকালে এক বৈঠকে তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরের কারও সংশ্লিষ্টতা ছাড়া এই ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়।

জোহার স্ত্রী ডা. কামরুন নাহার বলেন, গত বুধবার রাত ১২টার দিকে মিরপুর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে কাঁঠালবাগানের বাসায় ফিরছিলেন জোহা ও তার বন্ধু ইয়ামির আহম্মেদ। পথে কচুক্ষেত এলাকায় দুটি প্রাইভেট কার অটোরিকশার গতিরোধ করে এবং দুজনকে সিএনজি থেকে নামিয়ে গাড়িতে তুলে নেয়। পরে মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় ইয়ামিরকে নামিয়ে দেওয়া হলেও জোহাকে নিয়ে যায় তারা। ইয়ামিরের মাধ্যমে জারা জোহার ‘অপহরণের’ বিষয়টি জানতে পারেন।

এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মো. মারুফ হাসান সরদার জানান, প্রযুক্তিবিদ জোহার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তার জানা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির বিষয়ে নিজের মতামত দেয়ার পর হঠাৎ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তার পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীরা। তারা বলছেন, তিনি সরকারকে সহযোগিতা করতে চেয়েছিলেন। এভাবে তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ভবিষতে সরকারি তদন্তকাজে বেসরকারি বিশেষজ্ঞরা আর এগিয়ে আসতে চাইবেন না।

জানতে চাইলে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক (এএসপি) মিজানুর রহমান বলেন, “জোহার ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি পত্রপত্রিকায় দেখেছি মাত্র।”

এদিকে জোহার স্ত্রীর কামরুন নাহারের অভিযোগ, জোহা নিখোঁজ হওয়ার পরে কোনো থানা তাদের জিডি নেয়নি। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আমরা পুলিশের সহায়তা পেতে পারি। তা ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম ব্যবহার করে তাকে অপহরণ করা হয়েছে।”

জোহার স্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরি হওয়ার ঘটনায় তিনি মতামত দিয়েছেন। এর আগেও জোহা সাইবার অপরাধের বড় বড় ঘটনা তদন্তে সহায়তা করেছেন।”

এ ব্যাপারে সিআইডি পুলিশের বিশেষ সুপার মির্জা আবদুল্লাহ হেল বাকী বলেন, “জোহা নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি আমি মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছি। তবে এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি।” ঢাকাটাইমস






মন্তব্য চালু নেই