মেইন ম্যেনু

জ্ঞান ফেরার পর পালানোর চেষ্টা সেই হাতিটির

সাড়ে ১০ ঘণ্টা অজ্ঞান থাকার পর জ্ঞান ফেরার সঙ্গে সঙ্গে পালানোর চেষ্টা করেছে ভারতের আসাম থেকে উজানের ঢলে ভেসে আসা হাতিটি।

শুক্রবার সকালের দিকে কয়ড়া গ্রামের স্থানীয় রহিম মন্ডলের বাড়ির পেছনের একটি আম গাছের সঙ্গে দড়ি ও শেকল দিয়ে হাতিটিকে বেঁধে রাখা হয়। কিন্তু ওই বাঁধন ছিড়ে হাতিটি পালানোর চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুনরায় হাতিটিকে উদ্ধার করেন বন বিভাগের কর্মীরা।

এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে চেতনানাশক ‘মেটাল ড্রাগ’ প্রয়োগের মাধ্যমে হাতিটিকে অচেতন করে ময়মনসিংহের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা গোবিন্দ রায়ের নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের উদ্ধারকারী দল। এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাতিটিকে জলাশয় থেকে টেনে ডাঙ্গায় তোলা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার সকালে জ্ঞান ফেরার পর হাতিটি উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পরে হাতিটির সামনের পায়ে বেঁধে রাখা দড়ি ছিড়ে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে পাশের ডোবায় পড়ে যায়। এ সময় হাতিটির কাছে বন বিভাগের কোনো লোকজন ছিল না। পরে বনবিভাগের কর্মীরা খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাতিটিকে আবারো উদ্ধার করে বড় একটি আম গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।

ভেটেনারি সার্জন ডা: সাঈদ হোসেন জানান, দীর্ঘদিন পানিতে থাকায় হাতির শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ঘায়ের মতো দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার হাতিটি উদ্ধারের পর থেকে তার শরীরে ১২টি স্যালাইন দেয়া হয়েছে। হাতিটি এখন শঙ্কামুক্ত। তবে এখনো চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি হাতিটিকে আখ, কলাগাছ ও কলা খাবার হিসেবে দেয়া হয়েছে।

দুই-তিন দিনের মধ্যে হাতিটিকে গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।






মন্তব্য চালু নেই