মেইন ম্যেনু

জ্যোতিষ মতে বুড়ো আঙুলে আংটি পরা নিষিদ্ধ, কিন্তু কেন?

শরীরে রত্ন ধারণের বিষয়ে জ্যোতিষের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। কোন আঙুলে কোন রত্ন ধারণ করা উচিত তা জ্যোতিষে বিশদভাবে উল্লিখিত।

গ্রহরত্ন ধারণের উপায় সাধারণত তিনটি। এক, তাবিজ-কবচ-মাদুলি বিসেবে রত্নকে কণ্ঠে ঘারণ করা। দুই, তাবিজ-কবচ-মাদুলি বাহুতে ধারণ করা। এবং তৃতীয়ত, রত্নকে আংটিতে বসিয়ে তা আঙুলে ধারণ করা। কিন্তু জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে যেনতেনপ্রকারেণ বাজার থেকে রত্ন কিনে তাকে আঙটিতে বসিয়ে যে কোনও আঙুলে ধারণ করা যায় না। রত্নের যেমন শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তেমনই কোন রত্ন কোন ধাতুতে ধারণ করতে হবে, তার নির্দেশও রয়েছে।

সবার উপরে রয়েছে রত্ন ধারণের বিষয়ে জ্যোতিষের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। কোন আঙুলে কোন রত্ন ধারণ করা উচিত তা জ্যোতিষে বিশদভাবে উল্লিখিত।

প্রাচীন ভারত্র জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদরা তাঁদের সংহিতাগুলিতে দেখিয়েছিলেন, হাতের আঙুলগুলি কোনও না কোনও ভাবে দেহের কোনও না কোনও অংশের সঙ্গে জড়িত। এক একটি আঙুল মস্তিষ্কের এক একটি এলাকাকেও নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে হরমোন ক্ষরণের অনেক কিছুই আঙুলের উপরে নির্ভরশীল। অনামিকা, মধ্যমা, তর্জনি, এমনকী কনিষ্ঠাতে আংটি পরার নির্দেশ থাকলেও বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ বা বুড়ো আঙুলে আংটি পরা তথা রত্নধারণকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করে জ্যোতিষ সংহিতাগুলি।

এই নিষেধের পিছনে নাকি একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। প্রাচীন শাস্ত্র অনুযায়ী মনে করা হয়, বুড়ো আঙুলের সঙ্গে মস্তিষ্কের যে অংশের লেনাদেনা রয়েছে, সেখান থেকে সুখানুভূতির হরমোনগুলি নিঃসৃত হয়। এবং এই আঙুলটি বুধ গ্রহের সঙ্গে জড়িত। বুধ বা ভেনাস প্রেমের বিষয়কে নিয়ন্ত্রণ করে। এই আঙুলে যে কোনও ধাতব স্পর্শ এই বিশেষ হরমোনের ক্ষরণকে ব্যাহত করে। জীবন তেকে সুখ উদ্বায়িত হতে পারে। সেই কারণে বুড়ো আঙুলে আংটি অথবা অন্য কোনও রকম অলঙ্কার ধারণ নিষিদ্ধ।এবেলা






মন্তব্য চালু নেই