মেইন ম্যেনু

জয়কে অপহরণ চেষ্টা তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন ৩ কর্মকর্তা

প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় দায়ের করা মামলা তদন্তের জন্য যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তিন কর্মকর্তা। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন। ওই তিন কর্মকর্তাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর প্রাথমিক অনুমোদন মিলেছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল নিশ্চিত করেছেন।খবর যুগান্তরের।

তিনি মঙ্গলবার বলেন, তিন কর্মকর্তাকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। শিগগিরই তারা মামলার তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন।

সূত্র জানায়, এই তিন কর্মকর্তা হলেন- মামলার তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা ও ডিবি উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ, তদন্তকারী কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. রাজীব আল মাসুদ এবং রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার হাসান আরাফাত।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ডিএমপি তিন কর্মকর্তার নাম সুপারিশ করে যে চিঠি পাঠিয়েছে তার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হাসান আরাফাত মঙ্গলবার বলেন, তদন্তের প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমোদন সংক্রান্ত একটি আবেদন পুলিশ সদর দফতরের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে অনুমোদনের কোনো কপি এখনও আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার হাসান আরাফাত স্বাক্ষরিত আবেদনে বলা হয়, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও নিষ্পত্তির স্বার্থে আগামী ২০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর অথবা ওই সময়ের পরবর্তী যেকোনো সুবিধাজনক সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাটের ডানবুরি সিটি, ফেয়ারফিল্ড কাইন্ট এবং নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন ফেডারেল আদালত থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য আনুমানিক ১০ থেকে ১২ দিন সময় প্রয়োজন। এ কাজের ব্যয়ভার সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বহন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।

উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে পুলিশ গত বছরের আগস্টে পল্টন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে যা পরে মামলায় রূপান্তরিত হয়।

এ মামলায় গত ১৬ এপ্রিল ডিবি পুলিশ ইস্কাটন গার্ডেনের বাসা থেকে সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করে। ১৮ এপ্রিল একই মামলায় দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

গত ৩১ আগস্ট এ মামলায় শর্তসাপেক্ষে জামিন পান শফিক রেহমান। পরে তিনি ৬ সেপ্টেম্বর কারামুক্ত হন। তবে জামিন স্থগিত হয়ে যাওয়ায় মাহমুদুর রহমান এখনও কারাবন্দি আছেন।






মন্তব্য চালু নেই