মেইন ম্যেনু

জয়ের নায়ক ‘সুযোগসন্ধানী’ সাব্বির

এশিয়া কাপে এ পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচে তিন চেহারায় হাজির হন সাব্বির রহমান। প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে করেন ৩২ বলে ৪৪ রান। যা ছিল বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। বাংলাদেশ ভারতের কাছে হেরে গেছে ৪৫ রানে।

দ্বিতীয় ম্যাচে আমিরাতের বিপক্ষে নিজেকে উপস্থাপন করলেন অন্যভাবে, অর্থাৎ টি-২০ নয়, টেস্ট মেজাজে! এই ম্যাচে ১২ বলে করেন ৬ রান। বাংলাদেশের টি-২০ স্পেশালিস্ট ক্রিকেটারের স্ট্রাইক রেট মাত্র ৫০! তার নামের পাশে এই পরিসংখ্যান সত্যিই বেমামান। রোহান মোস্তফার বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে সাব্বির ধরা পড়লেন ফরহাদ তারিকের হাতে। তার পরেও ওই ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ৫১ রানে।

তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফিফটি করেন সাব্বির রহমান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তৃতীয় ও এশিয়া কাপে প্রথম হাফ সেঞ্চুরি আদায় করে নেন বাংলাদেশের টি-২০ স্পেশালিষ্ট। দলীয় ১৩তম ওভারে জয়সুরিয়ার বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন সাব্বির। শেষ পর্যন্ত সাব্বিরের ব্যক্তিগত ইনিংস থামে ৮০ রানে। চারিমালের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে জয়সুরিয়ার হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। সাব্বিরের ৫৪ বলের ইনিংসটি ছিল ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো। এদিন ২৩ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের জয়ের নায়ক বনে যান ‘সুযোগসন্ধানী’ সাব্বির।

৮০ দারুণ অনবদ্য ইনিংস খেলার সুবাদে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন সাব্বির। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সুযোগের সন্ধানে থাকার বিষয়টি খোলাসা করলেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তা কাজে লাগাতে পেরে উচ্ছ্বসিত সাব্বির, ‘শুরুর দিকে ব্যাট করতে পারাটা আমার জন্য ভালো সুযোগ। এই সুযোগটি আমি কাজে লাগাচ্ছি। বাজে বলের অপেক্ষায় থাকি। মারার বল পেলেই আঘাত করি। পাশাপাশি আমার শক্তিমত্তা কাজে লাগাই।’






মন্তব্য চালু নেই