মেইন ম্যেনু

জয় আগামীতে কী করবে, এটা তার উপরই নির্ভর করছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়েছি। তাদেরকে একটা কথা বলেছি, কোন সম্পদ দিতে পারবো না। একটাই সম্পদ, যত পারো শিক্ষা গ্রহণ করো। শিক্ষাই একমাত্র সম্পদ। ঐ শিক্ষাটাই তার জীবন-জীবিকা সব ঠিক করে দিবে। কাজেই আমরা দুই বোন আমাদের ছেলে-মেয়েদের সেই ভাবেই তৈরি করেছি। তাদের (ছেলে-মেয়ে) ভবিষ্যত তারা নিজেরাই ঠিক করবে। দায়িত্বটা তাদের উপরই ছেড়ে দিয়েছি। কাজেই জয় কি করবে ভবিষ্যতে? এটা সম্পূর্ণ তার (জয়) উপর নির্ভর করবে।

বুধবার বিকালে দশম সংসদের নবম অধিবেশন প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়েছি। তাদেরকে একটা কথা বলেছি, কোন সম্পদ দিতে পারবো না। একটাই সম্পদ, যত পারো শিক্ষা গ্রহণ করো। শিক্ষাই একমাত্র সম্পদ। ঐ শিক্ষাটাই তার জীবন-জীবিকা সব ঠিক করে দিবে। কাজেই আমরা দুই বোন আমাদের ছেলে-মেয়েদের সেই ভাবেই তৈরি করেছি। তাদের (ছেলে-মেয়ে) ভবিষ্যত তারা নিজেরাই ঠিক করবে। দায়িত্বটা তাদের উপরই ছেড়ে দিয়েছি। কাজেই জয় কি করবে ভবিষ্যতে? এটা সম্পূর্ণ তার (জয়) উপর নির্ভর করবে। এখন আমাদেরকে সহযোগিতা করছে। আজকে যে ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি, ডিজিটাল শব্দ থেকে আজ পর্যন্ত যতটুকু অর্জন তার সম্পূর্ণ তার পরামর্শেই হয়েছে। জনগণের সেবা করছে, সাহায্য করছে। কোন কিছু পাওয়ার আশা বা কোন কিছু নিতে আসেনি। যতটুকু পারছে, দিচ্ছে। জয় বাংলার প্রেরণাটা তাকে উদ্বুদ্ধ করছে সে কাজে। আর তার পথ সে নিজে দেখবে।

তিনি বলেন, জয় বাংলা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। মুক্তিযুদ্ধের এই স্লোগান দিয়েই কিন্তু আমরা এই বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু-এই স্লোগানটাই ছিলো মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণাদায়ক। এই স্লোগান দিয়ে এ দেশের লাখো মানুষ যুদ্ধ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করেছে। এই শব্দটা আমাদের এটাকে ভাগ করা যাবে না।

ফখরুল ইসলামের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, উনি হঠাৎ বললেন পুরুষের অধিকারের জন্য কিছু করা হবে কি না! উনার ঘরে, উনি যে উনার বউকে এত ভয় পান সেটা তো আমরা জানি না! ভাগ্য ভালো উনি ভয়ে পুলিশের পাহারার কথা বলেন নাই। পৃথিবীকে কেউ আসলে বদলাতে পারে? জীবন বদলাতে পারে। ঘরে আপনি চ্যানেল বদলাতে পারেন না, ঘরে তো একটা সমঝোতা করে নিতে পারেন। কে কখন কতটুকু দেখবেন, যদিও আপনি ঘরের পতœীর সঙ্গে বসে একটা সমঝোতা করে নেন তাহলে কিন্তু আর চ্যানেল বদলানো নিয়ে কোন সমস্যা হয় না। শান্তিপূর্ণভাবেই আপনি করতে পারেন, এখানে সমঝোতাটাই একটা বড় বিষয়।

চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য নজিবুল বশর মাইজভান্ডারির এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীতে লোকবল নিয়োগের নীতি মালা মেনে ‘জামায়াত-শিবিরের লোক পুলিশ বাহিনীতে ঢোকার ব্যাপারে’ পুলিশ কর্তৃপক্ষ ‘সচেতন হবে’ । তবে এখানে আমরা হস্তক্ষেপ করতে চাই না। কিন্তু এটা দেখা উচিত সন্ত্রাসী কর্মকা-ে যারা লিপ্ত এবং যারা এই ধরণের অগ্নি সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাতি কর্মকা-ে লিপ্ত তারা যেন একটা সুশৃঙ্খল বাহিনীতে আসতে না পারে-এটা দেখার দায়িত্ব সেই পুলিশ বাহিনীর। আমি আশা করি, এটা তারা (পুলিশ) দেখবে।

চট্টগ্রাম থেকে চীনের কুনমিং পর্যন্ত সড়ক, রেল ও আকাশ যোগাযোগ স্থাপন চেষ্টা চলছে

কুমিল্লার সংসদ সদস্য আব্দুল মতিন খসরুর অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার, ভারত, চীন এবং বাংলাদেশের মধ্য একটা ইকোনমিক করিডোর অথাৎ অর্থনীতি সম্প্রসারন, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার পদক্ষেপ ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। তাছাড়া কুনমিং-এ আমরা এখান থেকে প্লেনে অনবরত যাওয়া আসা করি। সড়ক পথে যোগাযোগ করার পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। ঢাকা হয়ে কক্সবাজার গোধূলি পর্যন্ত রেল লাইন করছি। রেল-লাইনের সম্প্রসারণটা মিয়ানমার, ভারত হয়ে কুনমিং পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যায় কী না সে বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। যেহেতু পাহাড়ি অঞ্চল একটু অসুবিধা আছে, তারপরও আমাদের সে প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। সড়ক, রেল, আকাশ পথ প্রতিক্ষেত্রেই যেন যোগাযোগটা হয় সেজন্যই কিন্তু আমরা বিসিআইইসি করা এবং বাস্তবায়ন করে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই