মেইন ম্যেনু

ঝগড়ার পরে স্বামীর অন্তর্বাসে স্ত্রী ঢেলে দিলেন বিষ! অতঃপর ঘটলো ঘটনা…

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দিন কয়েক আগে কথা কাটাকাটি হয়েছিল কোনও বিষয়ে। ভদ্রলোক ভুলেও গিয়েছিলেন সেইসব অশান্তির কথা। কিন্তু মনের মধ্যে রাগ পুষে রেখেছিলেন মিসেস জাং।

কোন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া না হয়, কিন্তু তা বলে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যে স্বামীর নিম্নাঙ্গে পরিধেয় অন্তর্বাসে বিষ ঢেলে দেন ক’জন স্ত্রী! চিনের পূর্বাঞ্চলের জেজিয়াং প্রদেশের এক স্ত্রী এমন ভয়ঙ্কর ঘটনাই ঘটিয়েছেন।

জাং পদবীধারী ওই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দিন কয়েক আগে কথা কাটাকাটি হয়েছিল কোনও বিষয়ে। ভদ্রলোক ভুলেও গিয়েছিলেন সেইসব অশান্তির কথা। কিন্তু মনের মধ্যে রাগ পুষে রেখেছিলেন মিসেস জাং। তিনি স্বামীকে শাস্তি দেবেন বলে স্বামীর নিম্নাঙ্গে পরার একটি অন্তর্বাস কাচার পরে প্যারাকোয়াট নামের একটি কীটনাশকে চুবিয়ে শুকোতে দেন রোদ্দুরে। তারপর তা পরার জন্য তুলে দেন স্বামীর হাতে। বলা বাহুল্য, মিস্টার জাং কিছুই জানতেন না এই বিষয়ে।

অন্তর্বাসটি যেদিন মিস্টার জাং পরেন সেদিন আবার তাঁদের মেয়ের বিয়ের দিন। বিবাহানুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই গোপনাঙ্গে তীব্র জ্বালা অনুভব করেন মিস্টার জাং। সেইসঙ্গেই শুরু হয় প্রবল শ্বাসকষ্ট। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় জেজিয়াং মেডিকাল এমারজেন্সি হাসপাতালে।

কী করে ভদ্রলোক আকস্মিকভাবে এমন অসুস্থ হয়ে পড়লেন, তা অনুসন্ধান করতে গিয়েই ধরা পড়ে মিসেস জাং-এর কীর্তি। হাসপাতালের ডাক্তার রেম জাংগমো সংবাদমাধ্যমকে এ বিষয়ে জানান, ‘‘মিস্টার জাং-এর জাঙ্গিয়া পরীক্ষা করে প্যারাকোয়েট পাওয়া যায়। প্যারাকোয়েট সাধারণভাবে গাছপালার পোকামাকড় মারার কাজে ব্যবহার করা হয়। প্যারাকোয়েট অল্প সময়ের জন্য মানুষের চামড়ার সংস্পর্শে থাকলে কিছু ক্ষতি হয় না। কিন্তু মিস্টার জাং দীর্ঘক্ষণ ওই অন্তর্বাস পরেছিলেন। তার ফলেই ক্ষতি হয়েছে তাঁর শরীরের।’’

কী ধরনের ক্ষতি? ডাক্তাররা জানিয়েছেন, মিস্টার জাং-এর অণ্ডকোষ আংশিকভাবে পচে গিয়েছে। শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যাও দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ দু’মাস চিকিৎসার পরে অণ্ডকোষের ক্ষতি অনেকটা সামাল দেওয়া গেলেও, মিস্টার জাং-এর শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা হয়তো সারাজীবনই সঙ্গী হয়ে থাকবে। সম্প্রতি পুলিশ গ্রেফতার করেছে মিসেস জাং-কে। তিনি তাঁর অপরাধ স্বীকার করেছেন।






মন্তব্য চালু নেই