মেইন ম্যেনু

টাইগার মুস্তাফিজের বোলিং নিয়ে যা বললেন কোহলি!

ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়ে গত বছর ওয়ানডের জগতে আবির্ভাব মুস্তাফিজুর রহমানের। বাংলাদেশের তরুণ বাঁহাতি পেসার চমকে দিয়েছিলেন ভারতীয় শিবিরকেও। আবার বাঁ হাতি এই পেসারের মুখোমুখি হওয়ার আগে বিরাট কোহলি জানালেন, মুস্তাফিজের বোলিং ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের জন্যও ছিল নতুন অভিজ্ঞতা।

শুধু উইকেট সংখ্যায় নয়, ভারতের ড্রেসিং রুমে মুস্তাফিজ বিস্ময় উপহার দিয়েছিলেন শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে নাকাল করা বৈচিত্রময় বোলিংয়ে। কোহলির মতে, এবার এশিয়া কাপেও বাংলাদেশের জন্য বড় ‘ফ্যাক্টর’ হবেন তরুণ এই বোলিং সেনসেশন।

এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হবেন কোহলি ও মুস্তাফিজ। বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ভারত লড়াই দিয়ে শুরু হবে এশিয়া সেরার আসর। চোটের কারণে প্রথম ম্যাচে খেলা নিয়ে শঙ্কায় মহেন্দ্র সিং ধোনি, মঙ্গলবার টুর্নামেন্ট পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি ছিলেন বিরাট কোহলি।

দু দলের সবশেষ লড়াইয়ে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন মুস্তাফিজ। অভিষেক ম্যাচে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট, পরের ম্যাচে ৬ টি। ভারতকে প্রথমবারের মত দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। পরে দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজেও নিজের বৈচিত্রের পসরা মেলে ধরেছিলেন মুস্তাফিজ। সব মিলিয়ে ৯ ম্যাচে নিয়েছেন ২৬ উইকেট, ৫ উইকেট ৩ বার! তরুণ একজন বোলারকে এভাবে বোলিং করতে দেখে মুগ্ধ কোহলি।

“মুস্তাফিজ সত্যিই খুব ভালো করেছে। আমাদের বিপক্ষে খেলার সময় থেকে গত ১ বছরে বাংলাদেশের হয়ে দারুণ বোলিং করেছে সে। ১৯ বছর বয়সী একটা ছেলেকে এভাবে বোলিং করতে

দেখা ছিল রোমাঞ্চকর। অবশ্যই সে এই টুর্নামেন্টেও বাংলাদেশের জন্য হতে যাচ্ছে বড় ফ্যাক্টর।”

মুস্তাফিজের বৈচিত্রময় বোলিং ভারতের শক্তিশালি ব্যাটিং লাইনাআপকেও ভড়কে দিয়েছিল, জানালেন কোহলি।

“১৪০ কিমির আশেপাশে গতির সঙ্গে স্লোয়ার বল করছিল, আমাদের জন্যও সেটি ছিল ব্যতিক্রমী এক অভিজ্ঞতা। নতুন বলেও খুব ভালো স্লোয়ার ও কাটার করছিল।”

প্রতিপক্ষ দলে এমন একজন বোলার থাকা বিপজ্জনক। তবে বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান এটিকে দেখছেন বৃহত্তর দৃষ্টিকোণ থেকে। ভারতের টেস্ট অধিনায়ক বলছেন, মুস্তাফিজের মত বোলাররা ক্রিকেটের জন্য দারুণ গুরুত্বপূর্ণ।

“খেলাটায় নতুন কিছু নিয়ে এসেছে মুস্তাফিজ, খেলাটাকে আরও ঝাঁঝালো করেছে। খেলাটার জন্য এটা খুব ভালো। দক্ষিণ আফ্রিকার কাগিসো রাবাদাও খুবই রোমাঞ্চকর এক তরুণ বোলার। এমন কিছু বোলার থাকাটা খেলাটার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যারা ব্যাটসম্যানদের বিপাকে ফেলতে পারে।”

ব্যতিক্রমী বোলারদের সামলানো ব্যাটসম্যানদের জন্যও চ্যালেঞ্জ। কোহলির মতে, সেই চ্যালেঞ্জটি ইতিবাচকভাবে নিলে নিজের ব্যাটিংও বিকশিত হয়।

“বাংলাদেশের কন্ডিশনের মতো কন্ডিশনে একজন পেসার যদি ৪-৫ উইকেট নিতে পারে এবং ব্যাটসম্যানদের বিপাকে ফেলতে পারে, খেলাটাকে এটা আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তোলে। ব্যাটসম্যান হিসেবেও উত্তাপটা টের পাওয়া যায় যে, এই ছেলেটার আলাদা এক ধরনের স্কিল আছে। সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে, তাকে সামলানোর জন্য আলাদা কিছু করতে হবে। নিজের খেলার তাতে আরও উন্নতি হয়।”



(পরের সংবাদ) »



মন্তব্য চালু নেই