মেইন ম্যেনু

টাকা দিয়েও এরা পায়নি বয়স্ক ভাতার কার্ড

নবতীপর বৃদ্ধ তোফাজ্জেল। বয়স এখন ৯৯। শখ করে একটা ছাগল পালন করেছিলেন। মানুষের মুখে শুনতে পেয়েছিলেন মেম্বারের কাছে গেলে বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়। কার্ডের আশায় মেম্বারের কাছে গেলে বিনিময়ে টাকা চায়। এজন্য ছাগলটা বিক্রি করে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে টাকা দেন। তবে টাকা দিয়েও কার্ড মেলেনি তার।

বলছিলাম কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের খয়েরপুর গ্রামের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তোফাজ্জেলের কথা।

দুই ছেলে ও পাঁচ মেয়ের জন্মদাতা তোফাজ্জেল ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দিয়ে জমিজমা ভাগ করে দিয়েছেন। ভাঙা বাঁশের বেড়া দেওয়া টিনের ঘরে বৃদ্ধ স্ত্রী মাজু খাতুনকে নিয়ে থাকেন। অভাবের সংসার আর বেশি বয়স হওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত বয়স্ক ভাতার কার্ড পাননি।

তোফাজ্জেল জানান, ভাতার কার্ডের জন্য মেম্বারকে বলেছিলাম, সে করে দেয়নি। কত লোকের কাছে গিয়েছি কেউ কোনো কাজ করেনি। আমার চেয়ে বয়সে যারা ছোট তারা ভাতা পেলেও আমি পাই না।

তোফাজ্জেলের স্ত্রী মাজু খাতুন জানান, কার্ডেও জন্য মেম্বারকে টাকাও দিয়েছিলাম ছাগল বিক্রি করে। সে টাকাও ফেরত দিল না আবার কার্ডও দিল না।

তিনি আরো জানান, আমরা দুজনই অসুস্থ। এই শেষ বয়সে যদি ভাতার কার্ড হয় তাহলে খুব উপকার হয়।

এ ব্যাপারে আমলা ইউপি চেয়ারম্যান জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এত বয়স হওয়া সত্ত্বেও কেন বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়নি তা খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






মন্তব্য চালু নেই