মেইন ম্যেনু

টাকা দিয়ে সঙ্গ মিলছে

প্রিয় মানুষটার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে হয়ে গেছে দীর্ঘদিন। কিন্তু কিছুতেই ভুলতে পারছেন না তাকে। ভুলতে পারছেন না তার আবেগময় স্পর্শ, অনুভূতি, ভালোবাসা। নতুন করে কাউকে ভালোবাসবেন, সেটাও পারছেন না ফের প্রতারিত হওয়ার ভয়ে। পুরনো স্মৃতিগুলো তাই প্রায়শই মনের ভেতরে খচখচিয়ে ওঠে।

প্রিয়জনের এই শূন্যতা দিন দিন আপনাকে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে মনে হচ্ছে আপনার। তাই কারো সান্নিধ্যের প্রয়োজনীয়তা খুব অনুভব করছেন।

আপনার এই ‘প্রয়োজনীয়তা’ মেটাতেও আছে ব্যবস্থা। আপনার ফোনটা তুলুন আর বলে দিন সঙ্গ দরকার। কিছুক্ষণের মধ্যেই দরজায় করা নাড়বে আপনাকে সঙ্গ দেয়ার লোক। আপনার চাহিদামতো নারী কিংবা পুরুষ সবই মিলবে, তবে তার জন্য গুনতে হবে টাকা।

এখানে সঙ্গ দেয়া মানে আদর, শুধুই আদর। যৌনতার কোনো জায়গা নেই। কমপক্ষে দুই ঘণ্টা একজন ‘প্রফেশনাল কাডলার’-এর সঙ্গে আপনাকে কাটাতে হবে। তার জন্য আপনাকে গুনতে হবে ঘণ্টাপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ ডলার। আপনাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকা, বসে থাকা- সবই করবে কডলার।

নিউইয়র্কে দিন দিন খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই ‘প্রফেশনাল কাডলিং’। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মানসিক অবসাদ কাটাতে ‘কাডলিং’ দারুণ কাজে দেয়।

নিউইয়র্কের একটি সংস্থা ইতিমধ্যে ‘প্রফেশনাল কাডলিং’-এ ভালো নাম করেছে। তবে, ‘আদর’ দেয়ার এই পেশায় যৌনতার যে ভয় নেই, তা অস্বীকার করা যাচ্ছে না। যারা ‘কাডলার’ ভাড়া দিচ্ছেন, তাদের মতে, মন থেকে ‘যৌনচেতনা’ একেবারে দূরে সরিয়ে ফেললে আর কোনো ভয় নেই।

তবে, সবটা তারা গ্যারান্টি দিতে পারছেন না। তাদের একটাই কথা, ‘সঙ্গ’ দেয়ার এই ব্যবসায় সম্পর্কটা কত দূর গড়াবে তা অনেক সময়ই ক্রেতা ও কাডলারের আচরণের ওপর নির্ভর করছে। এ ক্ষেত্রে ‘অযাচিত’ কিছু ঘটে গেল তা ব্যতিক্রম বলেই মনে করতে হবে।

এক বছর ধরে এই সেবা গ্রহণ করছেন সাসকিয়া ফ্রেডরিকস (৪১) নামের এক মার্কিন নারী। তার স্বামী একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তাদের মাসে দু-একবারের বেশি দেখা হয় না। কারণ দুজন ভিন্ন ভিন্ন শহরে থাকেন।

সাসকিয়া বলেন, “আমার স্বামী পুলিশ বিভাগের একজন লেফটেন্যান্ট। সপ্তাহে সাত দিনই তাকে পেট্রোল ডিউটি করতে হয়। আমরা সব সময় একসঙ্গে থাকতে পারি না। কারণ আমি থাকি নিউইয়র্কে আর স্বামী থাকে কানেকটিকাটে। আমি ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত আমার স্বামী এই ‘কাডলিং’-এর ব্যাপারে রাগ করেন না। কারণ তার সঙ্গে এই ব্যাপারে কথা বলেছি।”






মন্তব্য চালু নেই