মেইন ম্যেনু

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রতিবন্ধি মেয়েকে ধর্ষনের চেষ্টা, আদালতে মামলা খারিজ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার খায়ের পাড়ায় এক বুদ্ধি পতিবন্ধি মেয়েকে ধর্ষনের চেষ্টা। থানায় মামলা না নেয়াতে কোর্টে মামলা, প্রভাবশালীর অদৃশ্য ইশারায় মামলা খারিজ। পারিবারিক ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ঘাটাইল উপজেলার খায়ের পাড়ার ভ্যান চালক ফজলু মিয়া (৪৫)এর নাবালিকা বুদ্ধিপতিবন্ধী মেয়ে সুমিকে (১৪) ঐ এলাকার মৃত আবুল হেসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪৬) ধর্ষনের চেষ্টা করে।

উল্লেখ্য-গত-০৪-০৭-২০১৫ইং, তারিখ আনুমানিক দুপুর ১টার সময় সুমিকে (বোবা) চকলেট দেবার নাম করে বুলিয়ে বালিয়ে বাড়ীর উত্তর পাশে হানিফ মিয়ার পাটক্ষেতের ভিতরে নিয়ে যায়। পরে সুমিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গামছা দিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। দস্তাদস্তির এক পর্যায় পাট ক্ষেতের পাট নরাচরা করলে পাশের বাড়ীর লিপা নামের একটি মেয়ে তা দেখতে পেয়ে স্মৃতি নামের আরেকটি মেয়েকে দেখায়। কৌতুহল হলে দু জনেই আস্তে আস্তে ঐ পাট ক্ষেতের আইলে চলে যায়। গিয়ে তারা দেখতে পায় লম্পট আনোয়ার হোসেন বোবা মেয়েটির মূখ গামছা দিয়ে বেধে পরনের কাপড় খুলে ধর্ষন করার চেষ্টা করছে।

পরে লিপা ও স্মৃতিকে দেখতে পেয়ে লম্পট আনোয়ার হোসেন সুমিকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর লিপা ও স্মৃতি দুজনে সুমিকে উদ্ধার করে সুমির বাড়ীতে নিয়ে আসে এবং সুমির বাবা-মার কাছে ঘটনা খুলে বলে। সব কথা শোনার পর সুমির বাবা ফজলু মিয়া ০৬-০৭-২০১৫ইং তারিখে ঘাটাইল থানায় অভিযোগ করতে গেলে থানায় অভিযোগ না লিখে উল্টো আদালতের দারস্ত হতে বলেন। পরে সেখান থেকে বাড়ীতে এসে ০৮-০৭-১৫ তারিখে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ট্রাইব্যুনাল (সংশোধীত/২০০৩) এর আদালতে লম্পট আনোয়ারসহ ৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং ১৫৫।

মামলাটি কোর্টে ওঠার পর বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্ত করার জন্য ঘাটাইল থানাকে দায়িত্ব দিলে থানার অফিসার ইনচার্জ তাইজুল নামে এক এস আই কে দায়িত্বদেন। পরিবারটি অভিযোগ টাকার কাছে বিক্রি হয়ে ভূল তথ্য প্রমান দিয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন এস আই তাইজুল। যার কারনে মামলাটি দ্রুত খারিজ হয়ে যায়। এখন মেয়ের সঠিক বিচারের আশায় ধারে ধারে ঘুরছেন ফজলু মিয়া। প্রয়োজনে এব্যাপারে উচ্চ আদালতে যাবেন তিনি, এজন্য আইন ও প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করছেন সুমির বাবা ফজলু মিয়া।






মন্তব্য চালু নেই