মেইন ম্যেনু

টাঙ্গাইলে হলুদ সাংবাদিকদের দৌরাত্ম, ঘটনার বিশ দিন পর সাজানো ছবিতে বানোয়াট খবর

ত্রয়োদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি ব্রিটেনের রাজা প্রতিবাদি জনগনের সাথে ম্যাগনা কার্টা চুক্তির মাধ্যমে গনতন্ত্রের সূচনা করেন। আর উনবিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ পন্ডিত কারলাইল সংবাদপত্রকে চতুর্থ রাস্ট্র বা চতুর্থ স্তম্ব বলে আখ্যায়িত করেন। তার ভাষায় ‘রাষ্ট্রের প্রধান স্তম্ব হলো রাজতন্ত্র, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তম্ব হলো আইনসভার নিন্ম ও উচ্চ কক্ষ এবং চতুর্থ স্তম্ব হলো সংবাদপত্র।’ এ জন্য গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে অপরিহার্য মনে করা হয়। পৃথিবীখ্যাত সংবাদ সংস্থা রয়টারের ফ্রান্স প্রতিনিধি ডক সকোয়ার্ড আাশির দশকে ‘বেসিক জার্নালিজম- নিউজ এন্ড ফটো’ গ্রন্থ রচনা করে পুঁজিবাদি সমাজ ব্যবস্থায় সাড়া ফেলেন। ওই গ্রন্থে তিনি প্রিন্টিং মিডিয়ায় খবর ও ছবির পাশাপাশি অবস্থান এবং দুটোর গুরুত্ব নিয়ে অনেক মৌলিক তথ্য পরিবেশন করেছেন। ফটো সাংবাদিকতাকে তিনি শিল্প হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। ইউরোপের পেশাদার সাংবাদিকরা বিশেষ করে প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মীরা সকোয়ার্ডের নীতিমালা ও সুপারিশকে বাইবেল মেনে চলতেন। সকোর্য়াড এর সেই বিখ্যাত উক্তি ‘একটি ছবি হাজারো শব্দ থেকে শক্তিশালী’ এর সাথে সবাই পরিচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় বানোয়াট ছবি প্রকাশের মাধ্যমে কিভাবে ধোঁকা দিতেন ইতিহাস তার প্রমাণ। তার সহকর্মী গোয়েবলস তো মিথ্যাচারের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। বাংলাদেশে ৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে লজ্জা নিবারণে বাসন্তির জাল পরা ছবি নিয়ে কম বাদানুবাদ হয়নি। ঘটনার বিশ দিন পর সাজানে ছবিতে বানোয়াট খবর সাম্প্রতিক কালে শিশু আয়নাল কুর্দির লাশ ভূমধ্যসাগর তীওে ভেসে আসার দৃশ্য সারা বিশ্ব বিবেককে প্রচন্ডভাবে নাড়া দেয়। মিডিয়ায় সাজানো ছবি নিয়ে ব্যাপক নিন্দা ও ধিক্কার দেখা যায়। মিথ্যা খবর লিখে হয়রানি বা ইমেজ বিনষ্টের অভিযোগ অনেক পুরনো। কথায় বলে দেশে কাকের চেয়ে কবি বেশি আর সংবাদের চেয়ে সাংবাদিক বেশি। এ ধরনের সাংবাদিককে সাংঘাতিক বলেও আখ্যায়িত করা হয়। মিথ্যা তথ্যে বানোয়াট খবর লেখার অভিযোগ শোনা যেতো। এখন সাজানো ছবিতে বানোয়াট রিপোর্ট করার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি গোপালপুর উপজেলার বীরনলহরা গ্রামে সাজেদা বেওয়া নামক এক মহিলাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের খবর ছাপা হয় টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক যুগধারা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমার সংবাদ, দৈনিক সরেজমিন বার্তা, দৈনিক আমার কথা, দৈনিক মানুষের কথা, দৈনিক গ্রামের কথা, দৈনিক গ্রামগঞ্জের খবর, দৈনিক আমার খবর, দৈনিক স্বাধীন খবর, দৈনিক সত্য খবর, দৈনিক দেশের সংবাদ সংবাদসহ  দৈনিক সত্য। জেলা প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, ব্যুরো চীফ বরাতে এসব খবর ছাপা হয়। স্থানীয় প্রশাসণ, জনপ্রতিনিধি, পাড়াপড়শি এবং এলাকার সুধিজন বানোয়াট ছবিতে মিথ্যা খবর প্রকাশে বিস্মিত হন। তারা এসব সাংবাদিক নামধারি দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। গত বুধবার ওই গ্রাম সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে কথা হয় ভিক্টিম সাজেদা বেওয়ার সাথে। স্বামী জাফর আলীর পরলোক গমণের পর তিন পুত্রকে নিয়ে সংসার। বড় শাহজামাল ঢাকায় গামের্ন্টসে চাকরি করেন। দ্বিতীয় শাহজাহান ট্রাক ভ্রাইভার। তৃতীয় শামীম স্থানীয় হাইস্কুলে পড়ে। শাহজাহানের স্ত্রী ফরিদা বেগম, নাতনি পাখি এবং কনিষ্ঠ পুত্র শামীমকে নিয়ে যৌথ পরিবার। বাড়ি নিকট নলহরা মৌজার এস এ ২৩ নং খতিয়ানের ১৭২ দাগের ১০৮ শতাংশ জমির ৩১ শতাংশ নিয়ে গ্রামের আব্দুল মজিদ গংদের সাথে বিরোধ। এ নিয়ে মামলায় (পিটিশন-৩৭/৯২-৭(৪)৯২) টাঙ্গাইলের প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ১৬/০৮/১৯৯২ তারিখে আব্দুল মজিদ গংদের অনুকূলে নিস্পত্তি দেন। আদালতের এ নিস্পত্তিকে ভিত্তি করে আব্দুল মজিদ গং ভূমি অফিসে পৃথক হোল্ডিং খুলে খাজনাদি পরিশোধ করেন। সম্প্রতি আব্দুল মজিদ চাকরি থেকে অবসর নিয়ে ওই জমি হালচাষের উদ্যোগ নিলে বিবাদ শুরু। সাজেদা বেওয়া ও তিন পুত্র কেনা ও দখলীসূত্রে বাধা দেন। স্থানীয়ভাবে মিমাংসা না হওয়ায় বিষয়টি গোপালপুর উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ পর্যন্ত গড়ায়। তিনি প্রতিবেদককে জানান, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর উভয় পক্ষকে নোটিস করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ হাজির হতে বলা হয়। কয়েক দফা নোটিশ সত্বেও সাজেদা গং হাজির না হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দেয়া রায় এবং জমির খাজনাখারিজ মূলে গত ১৯/১০/২০১৫ তারিখে আব্দুল মজিদ গংদের পক্ষে পর্যবেক্ষণমূলক রায় দেয়া হয়।’ অতঃপর সাজেদা বেওয়া গত ৯ নভেম্বর সহকারি জজ আদালত, গোপালপুর এ জমিতে অস্থায়ী অন্তবর্তকালিন নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা করেন। বিবাদী আব্দুল মজিদ গত ১৭ নভেম্বর আদালতে হাজিরা দিয়ে অভিযোগের আপত্তি দাখিলমূলে সময় প্রার্থনা করেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৫ নভেম্বর আব্দুল মজিদের লোকজন ওই বিবদমান জমিতে টিনের ছাপড়া উঠান। সাজেদার পড়শি স্বপ্না পারভীন জানান, ‘দশ বারোজন লোক আইয়া ওই জমিতে কয়েক ফর্দ টিনের ছাপড়া উঠায়। সাজেদা বেওয়া বাধা দিলে গালিগালাজ আর ভয়ভীতি দেহায়। সাজেদার কলরব শুনে গ্রামের শতাধিক মানুষ জড়ো হয়ে ছাপড়া তোলার দৃশ্য দেখেন। কাউকে গাছের হাতে বাইনদা নির্যাতনের ঘটনা ঘটে নাই। কয়দিন পরে অপরিচিত লোকজন সিএনজি দিয়া আইয়া গ্রামের মোড়ে পত্রিকা ফালাইয়া যায়। হেই পত্রিকা পইড়া গ্রামের চেংড়াবুড়া সবাই কইতাছে সাজেদা বুড়িরে নাকি গাছের সাথে বাইনদা পিটাইছে।’ সাজেদা বেওয়ার বাড়ির চৌহদ্দীতে কোনো বেড়া নেই। খোলা মাঠ থেকে বাড়ির উঠান দেখা যায়। আর যে কাঁঠাল গাছটিতে বেঁধে নির্যাতন করার ছবি অখ্যাত কাগজে ছাপানো হয় তা উঠানের দক্ষিন প্রান্তে অবস্থিত। পড়শি মনোয়ারা বেগম জানান, ওই দিন কিছু লোক আইয়া জমিতে ছাপড়া উঠাইছে। সাজেদা বেওয়ার সাথে কথাকাটাকাটি অইছে। ঝগড়া অইছে। ধাক্কাধাক্কি অইছে। এর বেশি কিছু আমরা দেখিনাই। সাজেদা বেগমের বাড়ির অদূরে আলমনগর গার্লস হাইস্কুল। এ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা তাহেরা খানম জানান, ‘ওই দিন স্কুল খোলা ছিল। ছাত্রীদের কাছে জমি নিয়ে দুই পক্ষের ঝগড়াঝাটির কথা শুনেছি। প্রকাশ্য দিবালোকে গাছের সাথে বেঁধে একজন

ঘটনার বিশ দিন পর সাজানে ছবিতে বানোয়াট খবর

ঘটনার বিশ দিন পর সাজানে ছবিতে বানোয়াট খবর

মহিলাকে মারধোর করার বর্বর ঘটনা ঘটলে আমরা অবশ্যই জানতাম। ঘটনার দুইতিন সপ্তাহ পর কে বা কারা স্কুলের আঙ্গিনায় দুটি অখ্যাত সাপ্তাহিক ও দৈনিক পত্রিকা রেখে যায়। ওই পত্রিকা পড়ে এ মিথ্যা খবর জানলাম। এরা সাংবাদিক নয় সাংঘাতিক। এদের বিচার হওয়া উচিৎ। গ্রামের মোড়েই বাড়ি কছিম উদ্দীন মাতব্বরের। তিনি জানান, ‘সকাল ৯টায় মোড়ে চায়ের দোকানে বসেছি। এর মধ্যে গোপালপুর থেকে ভূঞাপুরগামী সিএনজি থামিয়ে অপরিচিত একজন নেমে দুই কপি পত্রিকা বেঞ্চিতে রেখে যায়। পত্রিকার পাতা খুলতেই বানোয়াট খবর পড়ে অবাক হয়ে যাই। এটি কেমন সাংবাদিকতা? তিনি আরো বলেন, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। সেখানেই ফয়সালা হবে। তাহলে মিথ্যা ছবিতে মিথ্যা খবর কেন? ওই গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক জানান, জমির মালিকানা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। ছাপড়া তোলা নিয়ে ঝগড়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার স্কুলের দরজা খুলতেই টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক যুগধারা এবং ঢাকা প্রকাশিত দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকা মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। হাতে নিয়ে চোখ বুলাতেই ওই জঘন্য মিথ্যাচার নজরে পড়ে। ঘটনার ব্যাপারে সাজেদা বেওয়া জানান, ওই দিন ২৫ নভেম্বর আব্দুল মজিদ ও তার পুত্র সোহেল ২০/২৫ দাঙ্গাবাজ নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয়ে ঘর থেকে টেনে হিচরে বের করে উঠানে গাছের সাথে বেঁধে মারধোর করে। পরে জমিতে টিনের ছাপড়া তুলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এখনো তারা প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তাদের ভয়ে গ্রামের কেউ মুখ খুলতে পারছেনা। তিনি প্রতিকার চেয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করেছেন। থানা পুলিশকে কেন জানাননি প্রশ্নে বলেন, বিবাদীরা প্রভাবশালী। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেনা। নির্যাতনের পর হুশ এলে গাছ থেকে বাঁধন কে ছাড়ালো প্রশ্নে জানান, খেয়াল নেই। নিকটেই দাড়ানো ছিল পুত্র বধূ ফরিদা, নাতনি পাখি ও পুত্র শামীম। গাছের সাথে বেঁধে মারপিট দেখেছেন কিনা প্রশ্নে জানান, ভয়ে ঘরের মধ্যে ছিলাম দেখিনি। এ দিকে পুলিশ সুপারের নিকট দায়ের করা অভিযোগ সরেজমিন তদন্তের দায়িত্ব পান গোপালপুর থানার এসআই হান্নান। তিনি গত ২১ ডিসেম্বর সাজেদা বেওয়ার বাড়ি ও অকূস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। ওই দিন আব্দুল মজিদ গং জমিতে ছাপড়া তুলতে গেলে ঝগড়াঝাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। এতে সাজেদা সামান্য ব্যাথা পান। ঘটনাটি এখানেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে গত ৩০ নভেম্বর আব্দুল মজিদ ও তার পুত্র সোহেল রানার বংশধরের সাথে একই গ্রামের মুক্তার হোসেন গংদের মারামারি হয়। উভয় পক্ষে ১৪/১৫ জন আহত এবং থানায় উভয় পক্ষ দুটি পৃথক মামলা হয়। এ মামলায় গোপালপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদারের পিএ সোহেল রানাকেও আসামী করা হয়। সংঘর্ষের তিন দিন পর কালিহাতী উপজেলার একদল অতি উৎসাহি নামধারী সাংবাদিক দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি রাইসুল ইসলাম লিটন, দৈনিক সরেজমিন বার্তার প্রতিনিধি মৃদুল চৌধুরী, দিনকালের কালিহাতী প্রতিনিধি তারেক আহমেদ অকূস্থল পরিদর্শন করে অখ্যাত খবর প্রকাশ করে। মুক্তার হোসেনের পুত্র আল আমীন সাজেদার পুত্র শামীমের বন্ধু। একই গ্রামে পর পর দুটি ঘটনা ঘটায় এবং উভয় ঘটনার সাথে সোহেল রানার আত্মীয় স্বজনের জড়িত থাকার অভিযোগ থাকায় মুক্তার হোসেন ও সাজেদা বেওয়ার পরিবার এক হয়। আর মুক্তার হোসেনের পুত্র আল আমীন ও সাজেদা বেওয়ার পুত্র শামীম কালিহাতির ওই ফরমায়েশী সাংবাদিকদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে গাছে বেঁধে নির্যাতনের সাজানো ছবি পাঠানোর পরামর্শ দেন। ওই সাংবাদিকদের পরামর্শ মোতাবেক শামীম গত ১৫ ডিসেম্বর ওয়ালটন প্রিমো ইএফ-৩ মডেলের মোবাইলে প্রক্সি দেয়ার ভঙ্গিতে মায়ের ডামি ছবি ওই সাংবাদিকদের পাঠায়। আর সংবাদের নামে নাপাক বস্তু তৈরি হয়। আর তা সিএনজিতে মাগনা বিলি করা হয়।’ কম্পিউটারে ওই ছবি পর্যবেক্ষণে দেখা যায় মোবাইলে ধারন হয়েছে ১৫ ডিসেম্বর। অথচ প্রকাশিত খবরের ঘটনা ২৫ নভেম্বর। এভাবে ২৫ নভেম্বরের বানোয়াট রিপোর্টের সাথে ১৫ ডিসেম্বরের ফরমায়েশী ও ডামি ছবি জুড়ে দিয়ে সাংবাদিক নামধারিরা সাংঘাতিক কাজটি সারেন। আলমনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হামিদুল হক চৌধুরী জানান, ওই দিন তিনি ইউনিয়ন বোর্ড অফিসে ছিলেন। অফিস থেকে অকূস্থল চারশ গজ দূরে। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ওরা ঘুষ খাওয়া সাংবাদিক। তাই দিনকে রাত বানায় আর রাতকে দিন। ওরা হায়ারে আসে। ফরমায়েশী খবর লেখে। সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি জেলা প্রশাসণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমুর রহমান জানান, জেলা প্রশাসকের দ্বারা আদিষ্ট হয়ে তিনি অভিযোগটি তদন্ত করছেন। প্রাথমিকভাবে বলা যায় ঘটনাটি বানোয়াট। গোপালপুর থানার ওসি জহিরুল হক জানান, অসৎ উদ্দেশ্যে ছবি তৈরি করে যারা বানোয়াট রিপোর্ট প্রকাশ করে তারা সাংবাদিক জগতের কলঙ্ক। এদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।






মন্তব্য চালু নেই