মেইন ম্যেনু

টারান্টিনোর ছবির জন্য আমি অপেক্ষায় থাকি: অনুরাগ

এই সময়ে এশিয়ার সেরা নির্মাতাদের একজন বলে ভাবা হয় ভারতীয় নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপকে। তরুণ নির্মাতাদের মধ্যে তার ভক্তকূলের কোনো হিসেব নেই। সবাই এই নির্মাতার কাজে মুগ্ধ। অথচ অনুরাগ কাশ্যপও স্বয়ং এক নির্মাতার অন্ধ ভক্ত। তার নতুন ছবির জন্য তিনি নাকি অপেক্ষায় বসে থাকেন!

হ্যাঁ, পৃথিবী খ্যাত মেধাবী ও তারকা নির্মাতাদের অন্যতম একজন কোয়ান্টিন টারান্টিনো। তার ছবির জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকেন ভারতীয় নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। গুরুর প্রতি ভক্তি জানিয়ে ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’ খ্যাত নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ বলেন, আমি টারান্টিনোর বড় একজন ভক্ত। তার সব সিনেমায় আমার দেখা। আমি সবসময়ই তার পরবর্তী ছবিটির জন্য মুখিয়ে থাকি। তার ছবি এবং কথা থেকে অনুপ্রেরণা পাওয়ার মত অনেক কিছুই থাকে। এবং আমি তার থেকে অনুপ্রাণিত হই। ভারতে সদ্য ‘দ্য হেটফুল এইট’-এর প্রিমিয়ার প্রদর্শনীর পর দেশের মেধাবী নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ এসব কথা বলেন।

২০১২ সালে নির্মিত অস্কারপ্রাপ্ত ছবি ‘জ্যাঙ্গু আনচেইন’-এর পর গেল বছরের শেষের দিকে মুক্তি পেয়েছে টারান্টিনোর নতুন ছবি ‘দ্য হেটফুল এইট’। আর ছবিটি শিগগিরই মুক্তি পেতে যাচ্ছে ভারতেও। ছবিটি নিয়ে দারুণ আশাবাদী ভারতের মেধাবী নির্মাতা অনুরাগ।

আসছে সপ্তাহেই ছবিটি আসছে ভারতের প্রেক্ষাগৃহে। বর্তমানে ছবিটি ভারতের সেন্সর বোর্ডে জমা দেয়া হয়েছে। আর গুরুর এই ছবি নিজের দেশে আসছে বলে উচ্ছ্বসিত অনুরাগা কাশ্যপ। তিনি ছবিটি নিয়ে আশা প্রকাশ করে সেন্সরবোর্ডের উদ্দেশে বলেন, আগের বিদেশি ছবিগুলোর যাতে সিনেমার উপর কাচি না চালানো হয় সেন্সর বোর্ড থেকে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আমি সত্যিই আনন্দিত যে আমার প্রিয় নির্মাতার ছবিটি ভারতে আসছে। কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া ছাড়াই ছবিটি সেন্সর বোর্ড থেকে সিনেমায় যাবে বলে প্রত্যাশা করি।

এরইমধ্যে নানা কারণে ছবিটি নিয়ে ফিল্ম দুনিয়ায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা। মুক্তির আগে নিউ ইয়র্ক পুলিশও এই ছবির জন্য টারান্টিনোর প্রতি অসন্তুষ প্রকাশ করেছেন, এবং ছবিটি না দেখতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছবিটি দারুণ প্রশংসা পেয়েছে। তার স্বীকৃতি মিলছে চারদিক থেকে।

কোয়ান্টিন টারান্টিনো এর আগে পাল্প ফিকশন, কিলবিল এবং ইনগ্লুরিয়াস বাস্টার্ড-এর মত অসাধারণ সিনেমা নির্মাণ করে সিনে দুনিয়ায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। কুড়িয়েছেন অস্কারের মত পুরস্কারও।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই