মেইন ম্যেনু

টিকিট না পেয়ে হতাশ যাত্রীরা

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রির দ্বিতীয় দিনে টিকিটপ্রত্যাশীদের অনেকেই কাঙ্ক্ষিত দিনের ও সময়ের টিকিট পাচ্ছেন না। তাই টিকিট না পেয়ে অনেক যাত্রী হতাশ হয়ে ফিরছেন কাউন্টার থেকে।

শনিবার সকালে রাজধানীর গাবতলীতে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

গাবতলীতে গিয়ে দেখা যায়, ভোর থেকেই টিকিটের আশায় যাত্রীরা ঈগল, হানিফ, সোহাগ, শ্যামলী, একে ট্রাভেলস, এস আলম, সাকুরাসহ বিভিন্ন পরিবহণের কাউন্টারের সামনে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পছন্দের টিকিট পাচ্ছেন না।

সাকুরা, হানিফ, সোহাগ, ঈগল, শ্যামলী, এসআর, ডিপজল, আগমনীসহ প্রায় সব বাস কাউন্টারেই ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বরের কোনো টিকিট নেই বলে জানা গেছে। তবে ১৯ সেপ্টেম্বর সকালের এবং ২০ সেপ্টেম্বরের কিছু টিকিট এখনো পাওয়া যাচ্ছে।

যাত্রীরা অভিযোগ করেন, ‘গতকাল থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে কিন্তু বিক্রির দ্বিতীয় দিনেই টিকিট শেষ। এটা কেমন কথা?’

রংপুরে যাওয়ার জন্য অগ্রিম টিকিট ক্রেতা মাসুদ অভিযোগ করে বলেন, ‘অধিকাংশ কাউন্টারের টিকিট কালোবাজারে চলে গেছে। বেশি টাকা দিলেই কাউন্টারের লোকজন অন্য স্থান থেকে টিকিট এনে দিচ্ছে।’

বরিশাল যাওয়ার টিকিট সংগ্রহে আসা যাত্রী আসাদ বলেন, ‘সাকুরা পরিবহণের টেকনিক্যাল কাউন্টার থেকে সকাল ৭টায় টিকিট বিক্রি শুরু হয়। কিন্তু সাড়ে ৮টার দিকেই কাউন্টার থেকে জানানো হয় টিকিট শেষ। তবে অনেক অনুরোধে এবং বাড়তি টাকায় কেউ কেউ টিকিট পেয়েছেন।’

ঢাকা-খুলনাগামী একে ট্রাভেলস কাউন্টারের কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, কাউন্টারে ও অনলাইনে একযোগে টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। এ কারণে একটু এদিক-সেদিক হতে পারে। তবে কাউন্টারের লোকজন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সুষ্ঠুভাবে টিকিট বিক্রির জন্য।

সাকুরা পরিবহণের এসি বাস কাউন্টারের মাস্টার মাইনুল ইসলাম জানান, আজ দ্বিতীয় দিনের মতো সকাল থেকেই টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে, ২১ থেকে ২৩ তারিখের প্রায় সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। কারণ ঈদের ছুটি এই দিনগুলোতেই হবে। যার জন্য এই যাত্রীদের চাপ এই তিন দিন বেশি। নিয়মিত সার্ভিসের টিকিট বিক্রি শেষ। তবে ঈদ উপলক্ষে গাড়ির সংখ্যা আরো বাড়ানো হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই