মেইন ম্যেনু

‘টি-২০ তে ধুম ধারাক্কা মেজাজেই খেলতে হবে’

টি-টোয়েন্টিটা এখন থেকে ধুম ধারাক্কা মেজাজেই খেলতে হবে। ঘরের মাঠের এশিয়া কাপের আগে এমনই পণ করলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। বাকি দুই ফরম্যাটে নিজেকে মেলে ধরলেও ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে এখনো মুন্সিয়ানা দেখাতে পারেননি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ডানহাতি এই অলরাউন্ডার।

টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে মারকুটে মেজাজে সেভাবে দেখা মেলেনি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের। টি-টোয়েন্টিতে দুটি হাফ সেঞ্চুরির মালিক মাহমুদুল্লাহ তাই নিজেকে নতুন করে প্রস্তুত করছেন। চড়াও মেজাজেই খেলতে চান টি-টোয়েন্টি। আর সেটা প্রথম বল থেকেই। সোমবার এমনই জানালেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার।

নিজের আগ্রাসী ব্যাটিং নিয়ে মাহমুদুল্লাহ বলছেন, ‘আমি নিজেকে সেভাবেই প্রস্তুত করার চেষ্টা করছি। যখনই নামবো, প্রথম বলেই ছক্কা মারার চেষ্টা করবো। শুধু ব্যাটসম্যান না, বোলার বা সবাইকেই টি-টোয়েন্টিতে একটু কৌশলী হতে হয়। পরিস্থিতি বুঝে খেলতে হয়। একটা উইকেট, রান আউট বা ছক্কা বদলে দেয় খেলার পরিস্থিতি।’

নিজের মতো বাংলাদেশও এবার আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে পারবে বলে মাহমুদুল্লাহর বিশ্বাস, ‘এই মুহূর্তে আমরা আত্মবিশ্বাসী। আমাদের বিশ্বাস যে আমরা ব্যতিক্রমী ও আত্মবিশ্বাসী ক্রিকেট খেলতে পারবো। আগে যেটা বললাম, আগ্রাসী খেলাটা গুরুত্বপূর্ণ। সবার মানসিকতা এরকম যে আমরা আগ্রাসী খেলতে পারব।’

যদিও বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি রেকর্ডে চোখ রাখলে এমন আশা বিবর্ণই হয়ে উঠবে। সব দেশের চেয়ে যে স্ট্রাইক রেটে পিছিয়ে বাংলাদেশ। এ চ্যালেঞ্জটাও মাথায় রাখছেন মাহমুদুল্লাহ, ‘সবাই বলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আমরা ভালো দল নই। এটাই আমাদের চ্যালেঞ্জ, নিজেদের প্রমাণ করতে হবে। স্ট্রাইক রেট আরো ভালো করতে হবে। আগ্রাসী ক্রিকেট খেললে নিজের খেলাও ভালো হবে, দলেরও ভালো হবে।’

পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলঙ্কা খেলার মধ্যেই ছিল। সে তুলনায় বাংলাদেশের প্রস্তুতি কেমন হলো? বাংলাদেশের হয়ে ২৭ টেস্ট ও ১২৫ ওয়ানডে খেলা মাহমুদুল্লাহ বলেন, ‘আমরাও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ খেললাম, চারটি ম্যাচ। এরপর কিছুটা সময় আমাদের দরকার ছিল ঘাটতিগুলো নিয়ে কাজ করার জন্য, স্কিলে উন্নতির জন্য। প্রস্তুতির জন্য এর চেয়ে ভালো সময় আর ছিল না।’






মন্তব্য চালু নেই