মেইন ম্যেনু

টুইট করে তোপের মুখে অশ্বিন

একটি টুইট করেছিলেন ভারতের ক্রিকেটার রবিচন্দন অশ্বিন, এর পর থেকে একের পর এক তোপ দাগা হচ্ছে তাঁর দিকে। অবশ্য পাকা খেলোয়াড়ের মতো সেসব তোপের জবাবও দিচ্ছেন তিনি। ফলে টুইটারে এখন বেশ ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে ভারতের এই তারকা ক্রিকেটারকে।

এই তোপ আর পাল্টা তোপের শুরুটা হয়েছে গতকাল রোববার। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশ ও ওমানের মধ্যে খেলা ছিল গতকাল। সেই খেলা প্রসঙ্গে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে একটি টুইট করেন অশ্বিন। সেখানে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বনাম ওমানের ম্যাচটি দেখতে তর সইছে না। বাংলাদেশ যদি জিতে, তাহলে গোটা দেশ খুশি হবে। তবে ওমান জিতলে ক্রিকেট খুশি হবে।’

আর এই টুইট করেই যেন কামানের প্রথম গোলাটি ছুড়লেন অশ্বিন। কারণ এর পর থেকে একের পর এক রিটুইটে ভরে গেছে তাঁর টুইটার। অবশ্য দক্ষ যোদ্ধার মতো সেসবের উত্তরও দিয়ে গেছেন তিনি।

অশ্বিনের টুইটের পাঁচ মিনিটের মাথায় আজাদ নামে এক টুইটার ব্যবহারকারী তাঁকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, ‘আপনি ওমানের বিজয় চান, কারণ আমার মনে হচ্ছে আপনি টাইগারদের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছেন।’

আজাদের টুইটের জবাবে অশ্বিন বলেন, ‘আমি আপনার টুইটটি আর্কাইভে রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পরে ভাবলাম এসব নিয়ে সময় নষ্ট করাটা ঠিক হবে না।’

এরপর মেহেদি এইচ খান নামে একজন অশ্বিনকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘অপেক্ষা করো এবং দেখো। আমরা আসছি।’

এই টুইটেরও জবাব দেন অশ্বিন। তিনি লিখে জবাব দেন, ‘কে বলেছে যে তোমরা খেলায় ভালো না? বড়দের মতো কথা বলো। কে কী বলছে দয়া করে সেটা বোঝার চেষ্টা করো।’

‘ঝুঁকি নিতে চাই না’

আবদুল্লাহিল কাফি নামে এক টুইটার ব্যবহারকারী অশ্বিনকে বলেন, ‘হু আমি দেখছি। তবে টুইটারে পোস্ট করা বন্ধ কোরো না। এভাবেই প্রতিটা বাংলাদেশের খেলার সময় টুইট কোরো। তাহলে তামিমও শত রান করবে আর বাংলাদেশ জিতে যাবে।’

এই প্রস্তাব মেনে নিয়ে পরের টুইটে অশ্বিন জবাবে বলেন, ‘তাহলে সেই কথাই রইল। তবে যখন বাংলাদেশ দল আমাদের সাথে খেলবে তখন টুইট করব না। কারণ আমি ঝুঁকি নিতে চাই না।’

আশিক নামে একজন লিখেছেন, ‘তুমি ঠিকই বলেছো অশ্বিন। বাংলাদেশ জিতলে শুধু তারাই খুশি হবে। কিন্তু ওমান জিতলে ভারত খুশি হবে। এই কথাটাই প্রকাশ্যে বলো।’

জবাবে অশ্বিন বলেন, ‘ওহ মাই গড, তাহলে ওমানের কী হবে? দয়া করে টুইটটা বোঝার চেষ্টা করো।’

এভাবেই বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা অশ্বিনের সঙ্গে টুইটারে বাকযুদ্ধ করে গেছেন। গতকাল শুরু হওয়া টুইট-রিটুইটের এই যুদ্ধ আজ দুপুর পর্যন্ত চলতে দেখা গেছে। অবশ্য এখন আর কারো টুইটের জবাব দিচ্ছেন না অশ্বিন।

জি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেহেতু ওমানের সঙ্গে জিতে সুপার টেনে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ, সেহেতু সামনের দিনে আরো টুইটযুদ্ধ দেখা যেতে পারে।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই