মেইন ম্যেনু

টেকনাফে বিজিবির অভিযান ৫ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবার উদ্ধার

ফয়েজুল ইসলাম রানা, টেকনাফ: টেকনাফে বিজিবির অভিযান সাড়ে ১৭ কোটি টাকা মূল্যের ৫ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবার চালান উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এটি টেকনাফ বিজিবির এযাবৎকালের ইয়াবা উদ্ধারে সর্ববৃহৎ চালান বলে বিজিবি জানিয়েছে। গত ১৩ এপ্রিল ভোর রাতে টেকনাফের সাবরাং বঙ্গোপসাগর খুরের মূখ এলাকা দিয়ে পাচারকালে ইয়াবার বড় চালানটি উদ্ধার করা হয়। ২ বর্ডার র্গাড ব্যাটলিয়ান অধিনায়ক লে: কর্ণেল আবু জার আল জাহিদ জানান, টেকনাফ সৈকতের খুরের মূখ বিওপি বিজিবি সদস্যরা ঐ এলাকা দিয়ে ইয়াবার বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদে অভিযানে যায়। এসময় ইয়াবা পাচারকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাশ্ববর্তী এলাকায় ঢুকে পড়ে।

পরে বিজিবি ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ইয়াবার প্যাকেট উদ্ধার করে। পরে প্যাকেটগুলো ব্যাটলিয়ান সদরে প্যাকেট খুলে গণনা করে ৫ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধার ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা বলে জানায়। উদ্ধার ইয়াবা সমূহ ব্যাটলিয়ান সদরে জমা রাখা হবে পরবর্তীতে উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে বলে জানায়।

এদিকে, টেকনাফে সম্প্রতি ফের আশংকাজনকহারে ইয়াবা পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে। একের পর এক ইয়াবার বড় বড় চালান আইনশৃংখলা বাহিনী আটক করতে সক্ষম হলে বেশীরভাগ ইয়াবা পাচার হয়ে যাচ্ছে। আর এসব ইয়াবা টেকনাফের বিভিন্ন এলাকার বড় মাপের ব্যবসায়ীরা নানা কৌশলে ইয়াবা পাচার অব্যাহত রেখেছে। বিশেষ করে নাফনদী উপকূলে প্রশাসন কড়াকড়ি আরোপ করায় ইয়াবা ব্যবসায়ীরা বঙ্গোপসাগর উপকূলকে পাচারের জন্য নিরাপদ রুট হিসাবে বেঁচে নেয়। আবার কেউ কেউ সাগর উপক’লের বিভিন্ন ঘাটে মাছ ধরার ট্রলারের নাম দিয়ে ইয়াবার চালান নিয়ে আসছে। এ সব ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সাধু সেজে এলাকায় অবস্থান করছে। কিন্তু তাদের নিত্য নতুন বাড়ী, গাড়ী, জমি-জামা ক্রয়ের শেষ নেই। এদের আয়ের উৎস কি? এরা কারা। এদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা না নিলে ইয়াবা পাচার বন্ধ করা সম্ভব নই বলে মনে করছেন সচেতন মহল।






মন্তব্য চালু নেই