মেইন ম্যেনু

টেকনাফে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের ৫কোটি টাকা ইয়াবা ‘চুরি নাকি আত্মসাৎ’

ফয়েজুল ইসলাম রানা, টেকনাফ: গত ২৮ ফেব্রুয়ারী টেকনাফ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে রহস্য জনক চুরি। ৫কোটি টাকা ইয়াবা নিয়ে গেছে এ ঘটনা নিয়ে রহস্য ঘনিভূত হচ্ছে। এ ব্যাপারে টেকনাফ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের ইনচার্জ তপন কান্তি শর্মা গত ১মার্চ বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা একটি টেকনাফ থানায় মামলা করেছে। যার মামলা নং ১ তারিখ ০১/০৩/২০১৬। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিস পরিদর্শনে দেখা যায়, অফিসের মেইন দরজা দুটো তালার মধ্যে একটি তালা খোলা। বাকী তালা অক্ষত রয়েছে। আংটা ভাঙ্গা। যে আলমিরায় মালামাল রাখা হয়েছে সে আলমিরা অক্ষত। শুধু মাত্র ডয়ার খোলা। বাকী গচ্ছিত নগদ টাকা অন্যান্য মাদক দ্রব্য অক্ষত রয়েছে। এ ব্যাপারে অফিসরে ইনচার্জ তপন কান্তি শর্মার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনার ২/৩দিন আগে অফিসের ৪জন কর্মচারীকে এক যোগে বদলী করা হয়েছে। আমি সহ ৫জন ছিলাম। তারা যে দিন বদলী হয়ে চলে যায় সেদিন আমিও অর্থ্যাৎ ২৭ ফেব্রুয়ারী তাদের সাথে আমার বান্দরবানে সাক্ষী ছিল বিধায় আমিও চলে যায়। পরের দিন অর্থ্যাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারী সকালে জানতে পারি অফিসের দরজা খোলা। আমি সরাসরি এ ঘটনা উপজেলা নিবার্হী অফিসার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আমার জেলা কর্মকর্তাকে অবহিত করি। পরে আমি টেকনাফ চলে আসি। চলে আসার পর অফিসের আলমিরায় দেখতে পায় শুধু মাত্র ১লাখ ৮১হাজার ৯শ ১৩পিস ইয়াবা ও ২কেজি গাজার প্যকেট গুলো নিয়ে গেছে। বাকী নগদ টাকা ও অন্যান্য মাদক দ্রব্য গুলো অক্ষত রয়েছে। এ ব্যাপারে এক সাথে কেন আপনারা সবাই চলে গেছেন? এর পর কেন ঘটনা সংঘটিত হল প্রশ্ন করা হলে তিনি এর সুষ্ট উত্তর দিতে গড়িমসি করে। এ ছাড়া এ গুলো মালামাল এখানে রাখার কোন বিধান আছে কিনা জানতে চাইলে সে কোন উত্তর দিতে পারেনি। উল্লেখ্য যে, ৪জন কর্মচারী ১জন ইনচার্জ সহ ৫জন কেন এক সাথে অফিস ত্যাগ করল এর পরের দিন কেন ঘটনা ঘটল এ নিয়ে রহস্য ঘনিভূত হচ্ছে। স্থানীয় এলাকাবাসির অভিমত কাষ্টম, পুলিশ, বিজিবি সহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার আলাদা-আলাদা আটককৃত মালামাল রাখার নির্দিষ্ট স্থান এবং এগুলো দেখা শুনার একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারী নিয়োজিত থাকে। কিন্তু টেকনাফ উপজেলার মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে এর সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম কেন এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের ভাষ্য মতে, এ ঘটনা নিরপেক্ষ একটি সংস্থা দিয়ে তদন্ত করা হলে আসল তলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে বলে জানায়।






মন্তব্য চালু নেই