মেইন ম্যেনু

টেকনাফে রমজানের ব্যবহার্য পন্যের বাজারে আগুন

দরিদ্র লোকজনদের মাথায় হাত। আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে টেকনাফ উপজেলা ও পৌর এলাকার হাট বাজার সমূহে অবৈধ আড়তদার মুনাফাকোরীরা রমজানের ব্যবহার্য জিনিস পত্রের দাম দিন দিন বাড়িয়ে দিচ্ছে। কোন নিয়ম নীতি নেই। এ ছাড়া স্থানীয় ও পৌর প্রশাসনের কোন নজর দারী নেই বলে স্থানীয় গরীব লোকজন জানায়। সরকার পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে রমজানের ব্যবহার্য জিনিস পত্রের দাম কমিয়ে দিয়েছেন।

এমনকি সদ্য পেশ কৃত বাজেটের দাম কমিয়েছেন। যা উক্ত বাজেট পাশ হয়েছে। ফলে বাজেট অনুযায়ী দেশের প্রতিটি স্থানে বাজেটে যে সমস্ত পন্যের দাম কমিয়েছে তার তালিকা ঝুলিয়ে দিয়েছে। আর যে সমস্ত পন্যের দাম বাড়িয়েছে তার তালিকাও ঝুলিয়ে দিয়েছে।

অথচ টেকনাফ উপজেলা ও পৌর এলাকার হাটবাজার সমূহ পরিদর্শন করে দেখা যায়, বাজেটে যে সমস্ত পন্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ইহা তালিকা দেখা যায় কিন্তু কমিয়ে দিয়েছে এগুলোর দাম কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে। এর কারন সমন্ধে জানতে চাইলে কোন মুদির দোকানদার জবাব দিতে পারিরনি।

স্থানীয় লোকজন জানায়, বাজার মনিটরিং না থাকায় অবৈধ আড়তদার ও মুনাফাকোরীরা রমজানকে সামনে রেখে সুযোগ নিয়েছে। বাজার পরিদর্শনে দেখা যায়, একটি দোকানের পন্যের মূল্যের সাথে অন্য দোকানের পন্যের দামের কোন মিল নেই। যার যা ইচ্ছা তা হাতিয়ে নিচ্ছে।

কয়েকটি রমজানের ব্যবহার্য পন্যের মূল্যে দেখা যায়, কয়েক দিন আগের মূল্যের সাথে বর্তমান মূল্যের কোন মিল নেই।

দেখা যায়, বর্তমানে পেয়াজ প্রতি কেজি ৪০/৪৫ টাকা, অতীতের মূল্য ৩৫ টাকা। ছোলা প্রতিকেজি ৬৫/৭০ টাকা, অতীতের মূল্য ৫৫/৬০ টাকা। সয়াবিন প্রতি ৫ কেজি ৫৫০ টাকা অতীতের মূল্য ৪৯০ টাকা। চিনি প্রতিকেজি ৪৫/৫০ টাকা অতীতের মূল্য ৪০ টাকা। আলু প্রতিকেজি ২৫/৩০ টাকা অতীতের মূল্য ১৫/২০ টাকা।

এভাবে প্রতিটি রমজানে ব্যবহার্য পন্যের দাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা স্থানীয় গরীবদের ভাষায় রমজানের বাজারে আগুন। নেভাবার কেহ নেই। চলমান পরিস্থি অব্যাহত থাকলে টেকনাফ উপজেলা ও পৌর এলাকার শতকরা ৩০ শতাংশ গরীব লোকজন অর্থাভাবে পবিত্র রমজানে রোজা রাখতে পারবেনা বলে জানায়।

এ ব্যাপারে রমজান আসার আগেই বাজার মনিটরিং করা একান্ত প্রয়োজন বলে এলাকার সচেতন মহল মনে করেন।






মন্তব্য চালু নেই