মেইন ম্যেনু

টেকনাফে লবনের পলিথিন: গরীবের ঘরে কালো টিন

ফয়েজুল ইসলাম রানা, টেকনাফ: বর্ষার প্রারম্বের পূর্বে দরিদ্র লোকজনদের বাড়ি-ঘর মেরামতের ধুম পড়েছে। কিন্তু সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ ও পৌরসভায় বাড়ি-ঘর নিমার্ণের সামগ্রী দাম আকাশ ছোয়াঁ। ফলে দরিদ্র জনগোষ্টি অর্থের অভাবে নিমার্ণ সামগ্রী ক্রয় করতে না পেরে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে মাথা ঘোজার টায় হিসেবে লবণ মাঠের পরিত্যাক্ত একটুকুরো পলিথিন নিয়ে বাড়ি ঢেকে দিয়ে দিন যাপন করছেন। হাট বাজার পরিদর্শনে দেখা যায়, মূলি বাশেঁ দাম শত প্রতি ৪হতে ৫ হাজার টাকা দামে বিক্রয় হচ্ছে। যার প্রতিটির দাম ৪০ থেকে ৫০টাকা। গোল পাতা শত প্রতি ৫হতে ৬হাজার টাকা। গাছ নি¤œমানের প্রতিটি খুটিঁ ১হতে দেড় হাজার টাকা। দিন মজুরের দৈনিক মজুরী ৬হতে ৭শ টাকা। দরিদ্র দিন মজুর রফিক, শফিক, মোঃ চাদঁ মিয়া জানান, একটি ছোট বাড়ি নিমার্ণ করতে কম পক্ষে ১৫থেকে ২০হাজার টাকা খরচ পড়ে। মাঝারী ৫০হতে ৬০ হাজার টাকা। যে সমস্ত পরিবার নুন আন্তে পান্থা ফুরায়। তারাই পড়েছে সব চেয়ে বিপদে। তাদের একমাত্র ভরসা লবণ মাঠের পরিত্যাক্ত পলিথিন। বাজারে দেখা যায়, লবণ মাঠের পরিত্যাক্ত পলিথিনের বাজারে ক্রেতাদের প্রচন্ড ভিড়। পরির্দশনে দেখা যায়, এরা দরিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী লোকজন। পলিথিন ক্রয়কারী দিন মজুর শুক্কুর, রহিম, এনায়েদ ও কবির জানান, বাশঁ, গাছ ও গোলপাতা ক্রয় করার মত অর্থ না পেয়ে ১৫/২০হাত লম্বা পলিথিন নিয়ে বাড়ি মেরামত করছি। একটি পলিথিন দাম পড়ে ৪হতে ৫শ টাকা। এ পলিথিন দিয়ে বাড়ি ঢেকে ঝড়-বৃষ্টি ও রোদ হতে রক্ষা পাই। কিন্তু গরমের সময় এ পলিথিন অত্যান্ত গরম। যা বয়স্ক লোকজন সহ্য করতে পারলেও কিন্তু ছোট কোমলমতি ছেলে-মেয়েরা অসহ্য হয়ে পড়ে। এর পরেও আল্লাহ রক্ষা করে। দরিদ্র জনগোষ্টির দাবী দীর্ঘ দিন যাবৎ এমনকি প্রতিবছর বাশঁ ও গোলপাতা ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। গরীব লোকজন এদের ধারের কাছেও যেতে পারছেনা। এ ব্যাপাররে স্থানীয় প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও জনপ্রতিনিধিদের কোন মাথা ব্যথা নেই। একজন দরিদ্র স্বল্প শিক্ষিত দিন মজুর ছড়ার সুরে বললেন, ব্যতিত বেদন, বুঝিতে কে পারে, কি যাতনা বিষে, কভু আর্শি বিষে দংশনী যারে। অর্থ্যাৎ যাকে সাপে দংশন করেছে সে বুঝতে পারে সাপের ব্যথা। সুতারাং টেকনাফে দরিদ্র জনগোষ্টির ব্যথা সাথে কেহ অংশিদারিত্ব হচ্ছেনা।






মন্তব্য চালু নেই