মেইন ম্যেনু

টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

হামিদা আক্তার বারী, ডিমলা করেসপন্ডেট, নীলফামারী : নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও সরকাকারী টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউপি’র সদস্য ও এলাকাবাসী। উক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতে দুইটি মামলা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

জানা যায়, মামলা দুইটি মাননীয় আদালত আমলে নিয়ে তা তদন্তের জন্য দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশনকে নির্দেশ প্রদান করেছেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। এ মামলাগুলি আগামী ৩১ অক্টোবর শুনানীর জন্য আদেশ প্রদান করেন মহামান্য আদালত।

মামলা সূত্রে প্রকাশ, উক্ত ইউনিয়নের দ:খড়িবাড়ী গ্রামের হাছি মুদ্দিনের পুত্র মোকলেছার রহমান বাদী হয়ে গত ১১ আগষ্ট/১৬ তারিখে নীলফামারীর জেলা দায়রা জজ ও সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যার পিটিশন নং- ০৭/১৬। উক্ত মামলায় টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ললিত রায় ও আবুল কালাম আজাদকে বিবাদী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য মামলার বাদী একজন প্রকৃত কৃষক হলেও সরকারী ভাবে খাদ্য গুদামে ধান ও গম ঢুকাতে পারেননি। অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যান ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার যোগসাজসে উক্ত ধান ও গমের স্লিপ বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করেন। অভিযোগে বলা হয়, যাদের নামের তালিকায় ধান ও গমের স্লিপ দেয়া হয়েছে তারা ভুমিহীন। এসব ভূমিহীন ব্যক্তিদের নামের তালিকা করে ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা পকেটস্ত করেন অভিযুক্তরা।

অপর দিকে একই ব্যক্তিদের নামের তালিকা করে চাল কালোবাজারে বিক্রি করে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও অপর একটি মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। উক্ত ইউপি’র দ:খড়িবাড়ী গ্রামের ৯নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য মৃত মনির উদ্দিনের পুত্র নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে একই আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। যার পিটিশন নং- ০৮/১৬ । তারিখ-১১ আগষ্ট/১৬।

এ মামলায় অভিযোগ করা হয়, ত্রান ও দূর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সিডিএমপি প্রকল্পের আওতাধীন রাস্তা কাম বাঁধ নির্মাণের জন্য ৩৩ লাখ ৭৪ হাজার ৮’শ ৬৪ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও নামে মাত্র কাজ দেখিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও উক্ত প্রকল্পের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন ভুয়াঁ কমিটির মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

মামলায় বলা হয়, প্রকল্প চেয়ারম্যান উক্ত বাঁধটি নির্মাণে ১’শ দিনের কর্মসৃজন কর্মসুচীর শ্রমিকদের দিয়ে ঐ বাঁধের কাজ করা হয়। বাধটির দৈর্ঘ্য-২ হাজার মিটার হলেও তৈরী করা হয়েছে মাত্র ৪৫০ মিটার। বাঁধটি সঠিকভাবে নির্মাণ না হওয়ায় বাঁধ সংলগ্ন পরিবারগুলির বন্যায় ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

দন্ডবিধির ৪২০/৪০৬/৪০৯/৪৬৫/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৩৪ ধারায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ায় অভিযোগ আদালতে আনায়ন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন বলেন, কেউ যদি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তাহলে তো আমি বাধাঁ দিতে পারবো না। মামলা করা নাগরিকদের অধিকার রয়েছে। এ ব্যাপারে আমার বলার কিছুই নেই।






মন্তব্য চালু নেই