মেইন ম্যেনু

ট্যাটু দেখিয়ে পুলিশের ঝামেলা থেকে মুক্তি

ট্যাটু করানোর নেশা অনেকেরই থাকে। কিন্তু তা যে এমন উপায়ে ব্যবহার করা যেত কে জানত! নানা কোম্পানির লোগো ট্যাটুর মাধ্যমে শরীরে এঁকে নিজের শরীরকেই প্রায় বিলবোর্ড বানিয়ে ফেলেছেন জেসন জর্স। নাম তুলেছেন লিমকা বুক অব রেকর্ডসেও।

মুম্বাইয়ের শহরতলীতেই বাস করেন তিনি। একটা দুটো তো নয়ই, একশো দুশোও নয়, শরীরে প্রায় ৪০০টি ট্যাটু আঁকিয়েছেন বছর ২৪-এর এই যুবক। তারমধ্যে আছে ৩২১টি ব্র্যান্ড লোগো। ট্যাটুপ প্যাশন তাঁর বরাবরের। এমনকি ট্যাটু করানোর জন্য নিজের মোবইল ফোন বিক্রি করতেও দ্বিধা করেননি তিনি। তবে প্যাশনকে এক অন্য মাত্রা দিয়েছেন তিনি।

শরীরের বেশিরভাগ ট্যাটুই কোনও না কোনও বিখ্যাত কোম্পানির লোগো। স্বাভাবিক ভাবেই এই ‘হিউম্যান বিলবোর্ড’ দেখে মুগ্ধ সংস্থার কর্তারা। এই ট্যাটুর জোরে বিপদের হাত থেকেও বেঁচেছেন তিনি। মুম্বাই ট্রাফিক পুলিশের হাতে একবার আটক হন তিনি। কিন্তু শরীরে পুলিশের লোগো ট্যাটু করা আছে দেখে পুলিশে অভিযোগ ঘুরে যায় আলোচনায়। রেহাই পান তিনি৷ প্যাশনে ভর করে এখন রীতিমতো ট্যাটু আর্টিস্ট হয়ে উঠেছেন তিনি। ট্যাটু করানোর জন্য নিজের একটি স্টুডিও খুলেছেন তিনি।

পরিবারের অনেকেই জর্জের এই পাগলামিকে প্রথমে পাত্তা দিতে চাননি। কিন্তু এখন বরং তাঁর এই প্যাশনে খুশি তারা। চাইছেন লিমকার পর গিনেস বুক অব রেকর্ডসেও যেন জায়গা পান জর্জ।






মন্তব্য চালু নেই