মেইন ম্যেনু

ট্রাকের হেল্পার থেকে সাড়ে ১৪ কোটি টাকার মালিক

ট্রাকের হেলপার থেকে ১৯৮৭ সালে ট্রাক ড্রাইভার। পরে ১৯৯১ সাল নাগাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। ২০১২ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটির কাউন্সিলর। ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল একই এলাকার আরেক কাউন্সিলরসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনার পর সারা দেশে যার ব্যাপক পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে তিনি নূর হোসেন। এই রাতারাতি উত্থানে গড়ে তুলেছেন সাড়ে ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়।

এসব সম্পদের মালিকানা রয়েছে নূর হোসেন ও তার স্ত্রী মোছা. রোমা হোসেনের নামে। অবশ্য স্ত্রীর অংশই বেশি।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। স্বামী-স্ত্রী উভয়ে বর্তমান কারাগারে আছেন।

দুদক সূত্র মতে, নুর হোসেন ও তার স্ত্রীর নামে অর্জিত এই অবৈধ সম্পদের (স্থাবর-অস্থাবর) পরিমাণ ১৪ কোটি ৫৫ লাখ ২৩ হাজার ৪১৮ টাকা। এর মধ্যে রোমা হোসেনের ৮ কোটি ৬৫ লাখ ৯২ হাজার ১২১ কোটি টাকা।

সোমবার (১ আগস্ট) রাজধানীর রমনা মডেল থানায় স্বামী-স্ত্রীকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুদক। মামলার পরই সকাল ৯টায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শিমরাই এলাকার টেকপাড়ার চেয়ারম্যান বাড়িতে (নূর হোসেনের বাড়ি) যায় দুদক টিম। সেখান থেকে কঠোরর নিরাপত্তার মাধ্যমে গ্রেপ্তার করে আনা হয় রোমা হোসেনকে। তাকে জামিন না দিতে বিচারিক আদালতে আবেদনও করেছে দুদক।

এর আগে থেকেই সাত খুন মামলার প্রধান আসামি হিসেবে কাশিমপুর কারাগার-২ এ কারান্তরীণ আছেন নূর হোসেন।

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন ঘটনার পর ২০১৪ সালের ১৫ জুন নূর হোসেনের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে নামে দুদক।

অনুসন্ধানে উঠে আসা তার অবৈধ সম্পদের মধ্যে রয়েছে- নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁও এলাকার বিভিন্ন পরিমাণ জমি, গাড়ি এবং বাড়ি।






মন্তব্য চালু নেই