মেইন ম্যেনু

ডাণ্ডাবেরি পরেই চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিল আসামি!

ডাণ্ডাবেরি পরেই চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়েছে এক আসামি! ঢাকা থেকে ট্রেনে চেপে ময়মনসিংহে আসার পথে চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দেন ফারুক এলাহী খোরশেদ (৪০) নামের যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামি।

সোমবার রাত ৮টার দিকে ত্রিশাল উপজেলার ধলা রেল স্টেশনর সংলগ্ন জামতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ডাণ্ডাবেরি পরা অবস্থায় কোনো আসামির পালানোর সুযোগ নেই। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের বাঁচাতেই এমন কথা বলছে।

জানা গেছে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনের নায়েক শাহ আলমের নেতৃত্বে ৩ পুলিশ কনস্টেবল ত্রিশালে একটি হত্যা মামলাসহ দু’টি হত্যা মামলার আসামি ফারুক এলাহী খোরশেদ ও মাদক মামলার আসামি শাহীনকে (৩০) নিয়ে ঢাকা থেকে কমিউটার ট্রেনযোগে ময়মনসিংহে নিয়ে আসছিলেন।

ত্রিশালের ধলা এলাকায় ট্রেনটি পৌঁছলে বাথরুমে যাবার কথা বলে ডাণ্ডাবেরি পরা অবস্থায় চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায় আসামি ফারুক।

সূত্র মতে, আসামি ফারুক কমলাপুর রেলওয়ে থানার একটি হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তার নামে ত্রিশাল থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে। তার বাড়ি ত্রিশালের রামপুর ইউনিয়নে।

জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেন, এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশিদকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে সম্ভাব্য স্থানে অভিযান চলছে।

ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি সূত্র জানায়, দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের বাঁচাতেই নানা কথা বলছেন। কারাগারে এসে বলেছে ট্রেনের জানালা দিয়ে আসামি পালিয়েছে, যা আদৌ সম্ভব নয়।

জেলার হাবিবুর রহমান বলেন, ঢাকা থেকে একজন আসামিকে রাত ৯ টার দিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করলেও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামি ফারুক এলাহী খোরশেদকে হস্তান্তর করেনি দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা। তারা স্বীকার করেছে আসামি ফারুক পালিয়ে গেছে।






মন্তব্য চালু নেই