মেইন ম্যেনু

ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া নবজাতককে বাঁচালো কুকুর

অচেনা পৃথিবীতে আবর্জনার স্তূপের মধ্যে পড়ে থেকে কান্না আর থামছিল না সদ্যোজাতের। মা ফেলে চলে গেছে। খোঁজ নেয়নি বাবাও। কিন্তু ওর কান্না শুনেই হয়তো এগিয়ে যায় রাস্তার এক কুকুর। নিজের অনুভূতিতেই বুঝতে পারে যে বিপদে পড়েছে একটা নতুন প্রাণ। আলতো করে মুখে তুলে নেয় তাকে। নিয়ে যায় একটি নিরাপদ স্থানে। প্রাণে বাঁচে শিশুটি।

ঘটনাটি সৌদি আরবের কোনো একটি স্থানের। তবে জায়গাটির নাম জানা যায়নি। ঘটনাটির সাক্ষী এক ব্যক্তির ক্যামেরায় তোলা ছবি থেকে তা জানা যায়। সদ্যোজাতকে মৃত্যুমুখ থেকে তুলে এনে প্রাণ ফিরিয়ে দেয়ায় সে এখন এলাকার ‘হিরো’। ইন্টারনেটে ভাইরাল ছবিটিতে সদ্যোজাতকে দেখে সিউড়ে উঠেছেন অনেকে। অনেকেই আবার কুকুরের প্রশংসা করে বলেছেন, ‘কুকুরই মানুষের প্রকৃত বন্ধু।’

ধারণা করা হচ্ছে, অবৈধ সম্পর্কের ফলে এ সন্তানের জন্ম হয়। নিজেদের কলঙ্ক ঢাকতেই হয়তো জন্মের পর সন্তানটিকে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয়। কারণ কোনো বিবাহিত স্বামী-স্ত্রী তাদের সন্তান এরকম ডাস্টবিনে ফেলে আসতে পারে না বলেই মনে করছে লোকজন।

আসলে আমাদের সমাজটা কত অদ্ভুত! কেউ হয়তো মাতৃস্বাদ নিতে চুরি করে অন্যের সন্তান। কেউ আবার কলঙ্ক ঢাকতে ডাস্টবিনে ফেলে দেয় গর্ভের সন্তান। কেঁদে কেঁদে হয়তো তার মৃত্যু হয় ডাস্টবিনেই। কিন্তু মা-বাবার অপরাধের ফল একটি নবজাত শিশুকে ভোগ করতে হবে কেন? ওর দোষ কোথায়? পৃথিবীতে জন্ম নেয়াই কি তবে শিশুটির দোষ? আসলে শিশুর দোষ একটাই পৃথিবীতে তার জন্ম কিছু নরাধমের আত্মতৃপ্তির ফলে হয়েছে!






মন্তব্য চালু নেই