মেইন ম্যেনু

ডিএনএ রিপোর্টে সন্তুষ্ট তনুর পরিবার

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সোমবার সিআইডি কুমিল্লার বিশেষ পুলিশ সুপার নাজমুল করিম খান বিষয়টি নিশ্চিত করার পর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে তনুর পরিবার। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সামনে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন, মা আনোয়ারা বেগম ও ভাই আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘যে ডিএনএ রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট। এখন মনে হচ্ছে আমরা ন্যায়বিচার পাব।’

তারা আরো বলেন, ‘দেশবাসী এ বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। আশা করি সিআইডি খুব শিগগির ঘাতকদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনবে।’

সূত্র জানায়, গত ২০ মার্চ সোহাগী জাহান তনুকে হত্যা করে কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি জঙ্গলে ফেলে দেয় ঘাতকরা। পুলিশ, ডিবির পর বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি।

গত ৩০ মার্চ তনুর মরদেহের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। গত ৪ এপ্রিল কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ থেকে দেওয়া প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে তনুকে হত্যা এবং ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়।






মন্তব্য চালু নেই