মেইন ম্যেনু

ডিপিএইচইর গবেষণা : ১ শতাংশ বাংলাদেশি উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ করে

দেশের শতকরা ১ শতাংশ লোক উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ করে। ৯৯ শতাংশ লোকই স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবহার করে।

এক গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আজ শনিবার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

রাজধানীর কাকরাইলে ডিপিএইচই কার্যালয়ে এ তথ্য তুলে ধরেন প্রধান প্রকৌশলী মো. ওয়ালী উল্লাহ।

সংবাদ সম্মেলনে ডিপিএইচইর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছাড়াও বিভিন্ন দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে গবেষণাপত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ২০০৩ সালে ৪২ শতাংশ মানুষ উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ করত। ২০১৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ ৪১ শতাংশ কমে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ডিপিএইচইর প্রধান প্রকৌশলী বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে বাংলাদেশকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে শত ভাগ লোককে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের আওতায় আনতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ওয়ালী উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের হাতে ১৫ বছর সময় দেওয়া হলেও আমরা ২০২২ সালের মধ্যে শত ভাগ লোককে স্যানিটেশনের আওতায় আনব।’

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, শত ভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিত হয়ে যাওয়াটাই যথেষ্ট নয়। উন্নত স্যানিটেশনের জন্য আরো কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বিশেষ করে নগর এলাকাগুলোতে স্যানিটেশনব্যবস্থা উন্নত হলেও সুয়ারেজ লাইনের মাধ্যমে বর্জ্য যাচ্ছে নদীতে। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এ ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

আগামীকাল বিশ্ব স্যানিটেশন দিবসকে সামনে রেখে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ বছর স্যানিটেশন দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘উন্নত স্যানিটেশন, সুস্থ জীবন’।






মন্তব্য চালু নেই