মেইন ম্যেনু

ডিমলায় জমি জবর দখলে পুলিশের বাঁধা : ইউপি সদস্য’র পলায়ণ

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় জমি জবর দখলকে কেন্দ্র করে পুলিশের বাঁধার মুখে পড়েন ডিমলা সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবু হোসেনও তার সঙ্গীয় লোকজন।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ডিমলা ৫০ শয্যা বিশিস্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দক্ষিনে প্রাচীর সংলগ্ন মেইন রাস্তার সাথেই পড়ে থাকা পরিত্যাক্ত প্রায় ২০ শতাংশ জমি জবর দখল করতে যাওয়ায় ডিমলা থানা পুলিশের বাঁধার মুখে পড়েন ডিমলা সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবু হোসেন, মৃত আবুল হোসেনের পুত্র মোমিনুর রহমানসহ তাদের পক্ষীয় প্রায় ২০/২৫ জন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ঐ জমির মালিকানা দাবী করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু অলৌকিক কারনে এর মালিকানা পরিবর্তন হয়ে বর্তমানে ঐ জমির মালিকানা দাবী করেন ইউপি সদস্য আবু হোসেন, মোমিনুর রহমান, সফিয়ার রহমান,মিলন রহমান,দীপক কুমার রায় দীপুসহ আরো অনেকে।

মঙ্গলবার ২২ ডিসেম্বর সকাল থেকে উক্ত মালিকগণ জমির মালিকানা দাবী করে স্ব-স্ব পজেশন দখলের চেষ্টা কালে মৃত বনিজ উদ্দিনের পুত্র জনৈক্য দেলোয়ার হোসেন ঐ জমির মালিকানা দাবী করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একটি নোটিশ নিয়ে ডিমলা থানার এসআই তাজুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জমি জবর দখলে দখলকারীদের বাঁধা প্রদান করেন।

পুলিশের বাঁধা মানতে না চাইলে পুলিশ তাদের হাতে ঐ নোটিশ ধরিয়ে দেন। কিন্তু জবর দখলকারীরা নোটিশ না নিয়ে পুলিশের উপড় চড়াও হলে পুলিশ জানান বির্তকিত এই জমির উপড় যে কোন ঘটনার জন্য জবর দখলকারীরা দায়ী থাকবে বলেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পুলিশ থানায় চলে যান।

এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত ইউপি সদস্য আবু হোসেন ডিমলা থানায় গিয়ে এসআই তাজুল ইসলামের সাথে কথাকাটি করতে থাকলে পুলিশ এসআই তাজুল ইসলাম ইউপি সদস্য আবু হোসেনর সার্টের কলার ধরে থানা হাজতে নেয়ার চেষ্টাকালে আবু হোসেন মেম্বার ধস্তাধস্তি করে থানার সামনে থেকে পালিয়ে যান। পুলিশ ও ইউপি সদস্য’র এ ঘটনা দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়।

শুরু হয় আলোচনা সমালোচনার ঝড়। এ ব্যাপারে এ্সআই তাজুল ইসলাম বলেন,আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ইউপি সদস্য আবু হোসেনসহ আরো অনেক জমি জবর দখলের চেষ্টা করেন। পুলিশ বাঁধা দেয়ায় ইউপি সদস্য পুলিশকেও হুমকী প্রদান করেন। তিনি থানার সামনে থেকে পালিয়ে যান বলে স্বীকার করেন।






মন্তব্য চালু নেই