মেইন ম্যেনু

ডোমারে প্রতিবন্ধিকে ধষর্ণের চেষ্টায় ব্যর্থ হামিদুলের ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা

হামিদা আক্তার বারী, ডিমলা করেসপন্ডেট, নীলফামারী : নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নে এক বাক প্রতিবন্ধি নারী শ্রমিককে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে দুই সন্তানের জনক হামিদুল ইসলামের ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মাত্র ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ঘটনার দায় থেকে তাকে রেহাই দিয়েছে উক্ত ইউ’পির চেয়ারম্যান। একটি নির্ভর যোগ্য সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গতকাল বুধবার দুপুর বেলা আনুমানিক এক থেকে দেড়টার দিকে নারী শ্রমিক ব্কা প্রতিবন্ধি রাস্তায় মাটি কাটার কাজে নিয়োজিত থাকে। এ সময় অন্যান্য নারী শ্রমিকরা একটু বিশ্রামের জন্য স্থানীয় একটি বাড়ীতে পানি খেতে যায়। ঠিক এ সময় সুযোগ ধরে থাকা পূর্ব হরিণচড়া বটতলী বাজার চেয়ারম্যান পাড়া (৩নং ওর্য়াড) গ্রামের মৃত মজিরোত আলীর পুত্র দু’সন্তানের জনক হামিদুল ইসলাম (৪৮) একই এলাকার হরির ডাংগা দোলার মাঝে জনৈক্য জাহাঙ্গীরের ”ডিবের পাড়ে” বাক প্রতিবন্ধি শ্রমিক স্¦ামী পরিত্যাক্তা পারুল বেগম (২২) কে একা পেয়ে জোড় পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করতে থাকে। এ সময় বাক প্রতিবন্ধি পারুলের পড়নের কাপড় চোপর ছিরে যায়। ঘটনার সময় তাৎক্ষনিক অন্যান্য নারী শ্রমিকরা ঘটনা দেখে ফেলায় ধর্ষণের চেষ্টাকারী হামিদুল বাক প্রতিবন্ধিকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। বাক প্রতিবন্ধি পারুল বেগম (২২) ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি মেম্বার খানাবাড়ী গ্রামের ময়নুল হকের কন্যা। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বেসামাল হয়ে পড়ে হামিদুল ইসলাম। ঘটনাটি ধাঁমাচাঁপা দিতে আদা জ্বল খেয়ে লেগে যায় হামিদুলের বড় ভাই আমিনুর রহমান। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যারম্যান আজিজুল ইসলামের কানে আসলে ঘটনাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বাক প্রতিবন্ধি ও অন্যান্য নারী শ্রুমিকদের সাথে সরাসরি কথা বলে ঘটনার সতত্য খুঁেজ পান। পরে তিনি ঘটনার দিন সন্ধায় ধরনীগঞ্জ বাজারে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষের লোকজনের সাথে কথা বলে মিমাংশা করে ফেলেন। এ সময় ধর্ষনের চেষ্টাকারী হামিদুলের কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে বাক প্রতিবন্ধিকে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঐ মিটিং থেকে উঠে যান ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম। ঘটনার মিমাংশায় বাক প্রতিবন্ধির পিতা ময়নুল হক, চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই ডোমার সিনিয়র মাদ্রসার সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, চেয়ারম্যানের ভাগিনা জামিনার রহমান, চেয়ারম্যানের আত্বীয় ও ধর্ষণের চেষ্টাকারী হামিদুলের বড় ভাই আমিনুর রহমান ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। এ ঘটনায় এলাকায় চায়ের দোকানসহ সর্বত্র এখন আলোচনা সমালোচনার বইছে। বিষয়টি এত দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ায় জন মনে নানা প্রশ্নের উৎভব হয়েছে বলেও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তারা বলছে ধর্ষনের চেষ্টাকারী হামিদুল শুধুমাত্র চেয়ারম্যানের আত্বীয় হওয়ায় ঘটনাটি এত দ্রুত শেষ করেছেন চেয়ারম্যান। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। তবে লোক মুখে কিছু কথা শুনেছি।






মন্তব্য চালু নেই