মেইন ম্যেনু

ড্রাইভারের ছেলে সেই মুসলিম মেয়রের জীবনের গল্প

লন্ডনে প্রথমবারের মত একজন মুসলিম ব্যক্তি মেয়র পদে গতকাল শপথ করেছেন। সেই ব্যক্তিকে নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। কোথা থেকে এসে আজ তিনি এই আসনে জানতে চান?

তিনি বিভিন্ন কাউন্সিল এস্টেটে বড় হলেও তিনি বর্ণবাদ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন কৌশল শিখেছেন। লন্ডনের লেবার মেয়রের সম্পূর্ণ নাম সাদিক আমান খান। তার বর্তমান বয়স ৪৫ বছর। তার জন্ম হয়েছে লন্ডনের টুটিং শহরে। তিনি তুলা রাশির জাতক। তিনি নর্থ লন্ডন এবং ল’ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সাদিক খান পাকিস্তানের একজন বাস ড্রাইভারের ছেলে। তার বাবার নাম আমানুল্লাহ খান এবং সেহেরুন খান। সাদিক খানের আরও আট ভাইবোন রয়েছে।

তিনি প্রথম থেকে যুদ্ধক্ষেত্রে নামতে প্রস্তুত। তিনি জানতেন তার বর্ণবাদ ও ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হবে। তাই তিনি আগে থেকে এর উত্তর তৈরি করে রেখেছেন। সাদিক খান একজন মানবাধিকার উকিল হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু তিনি শৈশব থেকে দাঁতের ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু একটি টিভি শো দেখার পর তিনি আইনজীবী হবার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ২০০৪ সালে কোর্ট ত্যাগ করে বাম সংসদে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে।

সাদিকের সস্ত্রী সাদিয়া একজন আইনজীবী। তিনি গত ২২ বছর আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার দুইজন কন্যা রয়েছে। তাকে মুসলমান হিসেবে একজন টুইটারে কটাক্ষ করার পর তিনি তাকে উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আমি একজন মুসলিম বলে আমার দিকে আঙ্গুল তুলে কোন লাভ নেই। আমি নির্বাচনী লিফলেটে তা পূর্বেই জানিয়ে দিয়েছি।’

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বই লিখেছেন। ২০১৪ সালের ম্যারাথনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি।






মন্তব্য চালু নেই