মেইন ম্যেনু

ঢাকার নদী দূষণমুক্ত করতে মহাপরিকল্পনায় সরকার

রাজধানী ঢাকার আশপাশের চারটি নদী দূষণমুক্ত করার ব্যাপারে বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে নদীগুলো দূষণমুক্ত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

আজ বুধবার আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক ‘হাই ভোল্টেজ’ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।

বৈঠকে নৌমন্ত্রী ছাড়াও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক এবং দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে নৌমন্ত্রী জানান, ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দূষণমুক্ত করতে শিগগির ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু করবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এই প্রকল্প পুরোপুরি চালু হতে চার পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে বলেও জানান মন্ত্রী।

শাজাহান খান বলেন, নদীদূষণ নিয়ে সরকার খুবই উদ্বিগ্ন। এ ব্যাপারে আজকের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আমরা যেকোনো মূল্যে ঢাকার চারটি নদী উদ্ধার ও দূষণমুক্ত করবো। এ ব্যাপারে সরকার কঠোর হবে।

মন্ত্রী জানান, নদী দূষণের ৬০ ভাগ হয় শিল্পবর্জে্যর কারণে। এর অন্যতম কারণ ট্যানারি। এজন্য ট্যানারি শিল্প ঢাকার বাইরে নেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আজকের বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে, রাজধানী থেকে ট্যানারি শিল্প সরাতে মন্ত্রণালয় যেন আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। নির্দিষ্ট সময়ে ট্যানারি না সরালে কারখানা বন্ধ করে দেয়ার হুঁশিয়ারিও দেয়া হয় বৈঠক থেকে।

নৌমন্ত্রী জানান, দূষণরোধে প্রতিটি কারখানায় বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) থাকার কথা। কিন্তু অনেক কারখানায় ইটিপি থাকলেও তা চালু করছে না। ইটিপি থাকার পরও যারা চালু করছে না তাদের কারখানা বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর যাদের ইটিপি নেই তাদের শিগগির ইটিপি চালুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের ভেতর ইটিপি চালু করতে না পারলে কারখানা বন্ধ করে দেয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

শাজাহান খান জানান, ঢাকার নদীগুলো দূষণমুক্ত ও দখলমুক্ত করতে হলে জনসচেতনতা সৃষ্টির দরকার। এজন্য মন্ত্রণালয় স্থানীয় মেয়র, এমপি ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে নিয়ে প্রচারাভিযান চালাবে।






মন্তব্য চালু নেই