মেইন ম্যেনু

ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন

সড়ক উন্নয়নের কাজে আন্তর্জাতিক টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবলের (আইটিসি) লাইন কেটে যাওয়ায় ঢাকাসহ দেশের অনেক অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটছে।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে গাজীপুরের এলেঙ্গায় জাতীয় মহা সড়কের চার লেন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের সময় ক্যাবল কাটা পড়ে। এতে ইন্টারনেট সেবা প্রদানে সমম্যা হচ্ছে। দেশের অন্যতম আইটিসি ফাইবার অ্যাট হোমের হেড অব পাবলিক রিলেশন অ্যান্ড গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স আব্বাস ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এ সড়ক উন্নয়ন কাজে গত মাসে চারবার ক্যাবল কাটা পড়ে। এ বিষয়ে এলজিইডির সঙ্গে কয়েকবার বসা হয়েছে লাভ হচ্ছে না।

বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরে প্রয়োজন প্রায় ১৪০ জিবিপিএস (গিগাবিট/সেকেন্ড) ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি (বিএসসিসিএল) সরবরাহ করে ৫০ জিবিপিএস। আর বাকি ৯০ জিবিপিএস আইটিসিগুলো সরবারহ করে। তারা অপটিক্যাল ফাইবার এর মাধ্যমে মাধ্যমে ভারত থেকে ব্যান্ড উইথ আনে।

২০১২ সালে ৬টি প্রতিষ্ঠান আইটিসি লাইসেন্স পায়। এই প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে নভোকম লিমিটেড, ওয়ান এশিয়া- এএইচএলজেভি, বিডি লিংক কমিউনিকেশন লিমিটেড, ম্যাংগো টেলিসার্ভিসেস লিমিটেড, সামিট কমিউনিকেশন লিমিটেড এবং ফাইবার অ্যাট হোম লিমিটেড। এছাড়া সরাকরি প্রতিষ্ঠান বালাদেশ টেলকমউনিকেশন কোম্পানিও (বিটিসিএল) আইটিসি সেবা দেয়।

সাউথ ইস্ট এশিয়া-মিডল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৪ (এসইএ-এমই-ডাব্লিউই-৪) কনসোর্টিয়ামের আওতায় একটি মাত্র সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ রয়েছে বাংরাদেমের। যা সংক্ষেপে সি-মি-উই-ফোর নামে পরিচিত। এটি পরিচালনা করে বিএসসিসিএল। এর মাধ্যমে ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়। বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া চরছে। এর মাধ্যমে আগামী বছর থেকে আরো ১৩০০ জিপিএস সাবমেরিন ক্যাবল ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে।

গত বছরের এক চুক্তির মাধ্যমে চলতি মাস থেকে ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ভারতে রপ্তানি করছে বিএসসিসিএল। এতে বছরে ৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা আয় করবে কোম্পানিটিন। ভারত চাইলে ৪০ জিপিবিএস পর্যন্ত ব্যান্ডউইডথ রপ্তানি করা হবে।






মন্তব্য চালু নেই