মেইন ম্যেনু

ঢাকা ডাইনামাইটসের দাপুটে জয়

চলতি টুর্নামেন্টের শুরু থেকে টানা তিনটি ম্যাচ খেললেও মাত্র একটিতে জয় পেয়েছে চিটাগং ভাইকিংস। তাই বৃহস্পতিবার নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে জয়ে চোখ রেখেই ঢাকা ডাইনামাইটসের মুখোমুখি হয় তামিম ইকবালের দল। কিন্তু আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি তাদের।

মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও শেষপর্যন্ত শতরানের কোটাও ছুতে পারেনি চিটাগংয়ের ব্যাটসম্যানরা। শুরু থেকেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দলটি। শেষ পর্যন্ত সেই বিপর্যয় থেকে বের হতে না পারায় নিজেদের ইনিংসকে দীর্ঘ করতে পারেনি তারা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজেদের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারাতে হয়েছে চিটাগংকে। শুরুতেই অধিনায়ক তামিম ইকবালকেই ফিরিয়ে দলটিকে বড় ধাক্কা দেন ঢাকার বোলার আবুল হোসেন রাজু। দলীয় ২ রানেই প্রথম উইকেটের পর স্কোরবোর্ডে আরও এক রান যোগ হওয়ার পর সাজঘরে ফেরেন এনামুল হক বিজয়ও। এই উইকেট পতন ঠেকাতে না পারায় দলীয় ৫০ রানের মধ্যেই টপঅর্ডারের পাঁচজন ব্যাটসম্যানকে হারায় চিটাগং ভাইকিংস।

চিটাগংয়ের হয়ে ২৯ রানে অপরাজিত থেকে সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেন নাঈম ইসলাম। আর তিলকারত্নে দিলশান করেন ২১ রান। তাছাড়া ইয়াসির আলী ১৪ ছাড়া আর কেউ দুই অঙ্কের কোটাই ছুতে পারেননি। ফলে ১৮.৪ বলে দলীয় স্কোরবোর্ডে ৯২ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় চিটাগং ভাইকিংস।

বল হাতে ঢাকা ডাইনামাইটসের হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান ও নাসির হোসেন ৩টি করে উইকেট পান। তাছাড়া ফরহাদ রেজা, ইয়াসির শাহ, আবুল হাসান মোশারফ হোসেন ১ টি করে উইকেট নেন। জয়ের জন্য এখন ৯৩ রান করতে হবে ঢাকা ডাইনামাইটসকে।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দারুণ হয় ঢাকা ডাইনামাইটসের। ৯৩ রানের সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সাদমান ইসলাম ও সৈকত আলীর ব্যাটিং দৃঢ়তায় ৪৫ রানে জুটি গড়ে দলটি। ব্যক্তিগত ২৩ রান করে সৈকত আলী সাজঘরে ফিরলেও সাদমান ইসলাম নিজের ইনিংসকে টেনে লম্বা করার চেষ্টা করেন। তবে হাফসেঞ্চুরির লক্ষ্য নিয়ে এগুতো থাকলেও শেষপর্যন্ত ৪৫ রান করে নাঈম ইসলামের শিকার হোন তিনি।

সাদমান আউট হলেও দলকে ভালো একটি অবস্থানে পৌছে দেন দিন। তার আউট হওয়ার আগে ক্রিজে নেমে নাসির জামসেদ ১২ এবং নাসির হোসেন ২ রান করেন। লক্ষ্য ছোট হওয়ায় শেষপর্যন্ত ১৭.১ ওভারে ৪ উইকেটে ৯৬ রান করে কাঙ্খিত গন্তব্যে পৌছে যায় কুমার সাঙ্গাকারার দল।

বল হাতে চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে ৩ ওভার বল করে ৭ রানের খরচায় ৩টি উইকেট নেন নাঈম ইসলাম। আর একটি উইকেট পান শফিউল ইসলাম।






মন্তব্য চালু নেই