মেইন ম্যেনু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ নয় : শিক্ষামন্ত্রী

‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ বিষয়টি সত্য নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড এটা কথিত কথা। এটা দলিলপত্রে কোথাও লেখা নেই। এটা হওয়ার কোন কারণও নেই। এটা লোকে বলে। আর বলতে বলতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি।

বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার ড শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবারের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশে শিক্ষার মান কমে যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার মান কমে যাওয়ার তথ্যটি সঠিক নয়। মান কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আজকের দিনে যে মান হওয়া উচিত তা অর্জন করতে পারিনি আমরা। এ মান আরও বৃদ্ধি হওয়া উচিত।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমি ৫০ বছর ধরে শুনছি শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে, শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে। প্রতি বছর ফলাফলের পর বলা হয় পাস করছে বেশি, কিন্তু মান পড়ে যাচ্ছে। যদি এটা সত্য হতো তা হলে এতদিনে আমাদের মাটির ৫০ হাত নিচে নেমে যেতে হতো।
কাজী ফিরোজ রশীদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে প্রচলিত টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পদ্ধতি বাতিল করার ফলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ সংক্ষুব্ধ হন। শিক্ষকদের সংক্ষুব্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে সরকার উচ্চ পর্যায়ে একটি কেবিনেট উপ-কমিটি গঠন করে। ওই উপ-কমিটির নির্দেশনা ও পরামর্শ অনুযায়ী শিক্ষকদের এ দাবির বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। আশা করা যায় শিগগির এ বিষয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা সম্ভব হবে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে শফিকুল ইসলাম শিমুলের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বেশকিছু সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ রয়েছে। দেশের সকল উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গঠনমূলক ছাত্র রাজনীতির ধারা বজায় রাখার জন্য ছাত্র সংসদ কার্যকর করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

লায়লা আরজুমান বানুর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বর্ধিত বেতন ও অন্যান্য ফি আদায় অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বেতন ও ফি হিসেবে এবং এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় আদায় করা বাড়তি অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দিয়ে সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। সাত কার্য দিবসের মধ্যে টাকা ফেরত না দিলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






মন্তব্য চালু নেই