মেইন ম্যেনু

ঢালিউড নায়িকাদের প্রথম চুম্বনের অনুভূতি

চলচ্চিত্রে প্রেমের দৃশ্যেকে ফুটিয়ে তুলতে চুম্বন দৃশ্য এখন বেশ গুরত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তা ছাড়া দর্শকদের মাঝেও রয়েছে এমন দৃশ্যের ব্যাপক চাহিদা। আর সেই চুম্বন দৃশ্যটি পর্দায় উপস্থাপন করাটাও সহজ বিষয় নয় বলে জানিয়েছেন অনেক অভিনয়শিল্পী। আর যদি হয় কোনো অভিনয়শিল্পীর প্রথমবারের মতো চুম্বন দৃশ্যের কাজ, তা হলে বিষয়টা আরো কঠিন। ঢাকাই চলচ্চিত্রে এমন কয়েকজন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকাদের প্রথম চুম্বন দৃশ্যের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে এ রচনা।

ইতস্ততাবোধ করেছি : রত্না
কেন ভালোবাসলাম শিরোনামের চলচ্চিত্রের একটি গানের দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো নায়ককে চুম্বন দিতে হয়েছে চিত্রনায়িকা রত্নাকে। এ সিনেমায় তার নায়ক ছিলেন ফেরদৌস। এ প্রসঙ্গে রত্না বলেন, ‘আমি খুবই আনইজি ফিল করেছি। যদিও এটা সিনেমার দৃশ্যের প্রয়োজনে করতে হয়েছে। কক্সবাজারে এ সিনেমার গানে দৃশ্যের শুটিং করা হয়। এ সময় অনেক লোক সামনে ছিল।’

চুম্বনে বিরক্ত হয়েছি : আঁচল
প্রেম প্রেম পাগলামী সিনেমায় বাপ্পী ও আঁচল দুজন দুজনকে চুম্বন দিতে হয়েছে। এ সিনেমার দৃশ্যে আঁচল চুম্বন করতে গিয়ে বিরক্ত হয়েছিলেন। কারণ এটাই ছিল আঁচলের প্রথমবারের মতো কোনো চুম্বন দৃশ্যে কাজ করা। এমনটাই জানান আঁচল আঁখি। তিনি বলেন, ‘প্রথমে খুবই খারাপ লাগছে। বিষয়টিকে স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারিনি। বাপ্পি আমাকে আগে কিস করে। এর পরে আমার করতে হয়। আসলেই আমি বিরক্ত হয়েছিলাম।’

নায়ককে চুম্বন করি না চরিত্রকে করি : পরী
রানাপ্লাজা সিনেমায় একটি গানের কাজ করতে গিয়ে চিত্রনায়ক সাইমনের ঠোঁটে পরীর ঠোঁট লাগাতে হয়। পরীর এটাই প্রথমবারের মতো কোনো নায়ককে চুম্বন করা। গোপালগঞ্জের একটি গ্রামে এ দৃশ্যের শুটিং করেছিলাম। শুটিংয়ের সময় লোক ছিল প্রায় ৩-৪ হাজার। এর মধ্যেই চুম্বন করতে হয় পরীকে। এমনটাই জানান পরীমনি। তিনি বলেন, ‘আমি যখন চরিত্র উপস্থাপনা করি তখন আমি পরী থাকি না। আমি তো কোনো নায়ককে কিস করিনি আমি কিস করেছি ওই চরিত্রকে।

বাবা মনে করে চুম্বন দিয়েছিলাম : অহনা
এর আগে চুম্বন দৃশ্যে শুটিং করেনি অহনা। চাকরের প্রেম সিনেমায় চিত্রনায়ক মান্নাকে চুম্বন দিতে হয় অহনাকে। এ বিষয়টিকে তিনি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছিলে না। মান্না বিষয়টি বুঝতে পেরে অহনাকে বলেছিলেন, ‘আমাকে তুমি তোমার বাবা মনে করতে পারো। তুমি আমার মেয়ে। বাবাকে মেয়ে চুম্বন করতেই পারে।’ এর পরে অহনা একটু স্বাভাবিক হয়ে এ দৃশ্যের শুটিং করেছেন। এর পরও কিছুটা আনইজি ছিলেন বলে জানান তিনি।

প্রথম চুম্বন দৃশ্যে বিব্রত হইনি : জানভী
জানভী চৌধুরীর প্রথম সিনেমা জানেনা এ মন। এ সিনেমায় তাকে কয়েকটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং করতে হয়। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন ইমন। একটি দৃশ্যে সন্ত্রাসীরা ইমনকে অনেক মারধর করে। এর পর ভালোবাসার মানুষকে আদর করতেই চুম্বন দিতে হয় জানভীকে। এটিই ছিল জানভীর প্রথম অন্তরঙ্গ দৃশ্য। এ প্রসঙ্গে জানভী বলেন, ‘আমি এ দৃশ্যে কাজ করে তেমন বিব্রত হইনি। কারণ ইমন আমার বন্ধুর মতোই। ও কাজের ক্ষেত্রে অনেক হেল্পফুল।’

চুম্বন দিতে গিয়ে মুখ লাল হয়ে যেত : তানহা মৌমাছি
আমার প্রথম নায়ক শুভকে জড়িয়ে ধরতে হয়। এটিই ছিল আমার প্রথম বারের মতো এ ধরনের কাজ। এটা করতে গিয়ে আমার হাত পা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল। প্রথম চুম্বন দৃশ্যে কাজ করি নো মোর লাভ সিনেমায়। এ সিনেমায় সুমিতকে চুম্বন করতে হয়। কক্সবাজারে একটি দৃশ্যে কিস করতে গিয়ে দশটি চুম্বন দিতে হয়। যতবারই চুম্বন দিয়েছি ততবারই আমার ফেস লাল হয়ে যেত। এ কারণে দশবার চুম্বন দিতে হয়েছে।

চুম্বন দিতে গিয়ে গলা শুকিয়ে গিয়েছিল : পুষ্পিতা
তোমাকে ভালোবেসে দেওয়ানা সিনেমার একটি গানের দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করতে হয় পুষ্পিতা পপিকে। এ সিনেমায় তার নায়ক ছিলেন স্বাধীন। এটি করতে তাকে পানি খেতে হয়েছে কয়েক গ্লাস। গলা শুকিয়ে গিয়েছে পুষ্পিতার এমনটাই জানান তিনি।

পাঁচবার চুম্বন করেছি : তানিয়া বৃষ্টি
অবলা নারী : ওয়াও বেবি ওয়াও সিনেমায় তানিয়া বৃষ্টি প্রথমবারের মতো চুম্বন দৃশ্যে দেখা যাবে তাকে। এ সিনেমায় শ্রাবন খানকে আমার চুম্বন করতে হয়। এটা আমার কাছে অনেক বেশি আনইজি লেগেছিল। এ জন্য কাজটি ঠিক মতো হয়নি। এই শটটা পাঁচবার টেক করতে হয়।






মন্তব্য চালু নেই