মেইন ম্যেনু

তনু হত্যার রিট আবারো হাইকোর্টের তালিকা থেকে বাদ

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে দায়ের করা রিট কার্যতালিকা থেকে আবারো বাদ (আউট অব লিস্ট) দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. সেলিম এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে রিট আবেদনের পক্ষে আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় তা কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেন।

এ বিষয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এআরএম হাসানুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, রিট আবেদনটি শুনানির জন্য আজ কার্যতালিকায় ছিল। তবে রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ আদালতে উপস্থিত না থাকায় আবেদনটি তালিকা থেকে বাদ দেন আদালত।

রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘আমি উপস্থিত ছিলাম না বলে আবেদনটি তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী সোমবার একই বেঞ্চে পুনরায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।’

এর আগে সোমবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন একটি ডিভিশন বেঞ্চও রিটটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে আদেশ দেন।

রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ ওইদিন সাংবাদিকদের জানান, আদালত বলেছেন, তনু হত্যার বিষয়ে দায়ের করা মামলার তদন্ত চলমান। তাই রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়া হলো।

তিনি জানান, সোহাগী জাহান তনু হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেফতারের প্রার্থনা জানিয়ে হাইকোর্টে গত ৩ এপ্রিল রিট পিটিশনটি দায়ের করা হয়। রিটে হত্যাকারীদের গ্রেফতারে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তাকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না-এ মর্মে রুল জারির আর্জি জানানোর পাশাপাশি ৩০ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে বাসা থেকে ২০০ গজ দূরে একটি ঝোঁপের মধ্যে তনুর লাশ পাওয়া যায়। ভিক্টোরিয়া কলেজের অর্নাসের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসের ভেতরে অলিপুর এলাকায় সপরিবারে থাকতেন। তার বাবা ইয়ার হোসেন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের কর্মচারী।

এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে দেশের বিভিন্ন মহল বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।






মন্তব্য চালু নেই