মেইন ম্যেনু

তবুও খুশি নৌপরিবহনমন্ত্রী

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশ এক ধাপ পেছানোর পরও খুশি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।

আজ বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে সাত মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এক বৈঠক শেষে টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতিতে বাংলাদেশ এক সময় এক নম্বরে ছিল, এখন ১৩ নম্বরে এসেছে, এটাতো ভালো খবর। শেখ হাসিনার য্যেগ্য নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশে দুর্নীতি কমেছে।

প্রসঙ্গত, গতবছর টিআইএর দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪ নম্বরে। এবার এক ধাপ পিছিয়ে ১৩ নম্বরে গিয়ে ঠেকেছে। মন্ত্রীর কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল বাংলাদেশ তো দুর্নীতিতে একধাপ পিছিয়েছে। এরই জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তবে মন্ত্রী এসময় টিআইবির সমালোচনাও করেন।

টিআইবির কর্মকাণ্ডকে বিতর্কিত হিসাবে উল্লেখ করে নৌমন্ত্রী বলেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নিজেই ট্রান্সপারেন্ট না। তাদের কাজের মধ্যেই অনেক অস্বচ্ছতা আছে। তাই, তারা কি বলল, না বলল, তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই। যেসব তথ্যের ওপর নির্ভর করে তারা এসব করছে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন রয়েছে।

বুধবার সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডির মাইডাস সেন্টারে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

বৈঠকের বিষয়ে নৌমন্ত্রী বলেন, ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দূষণমুক্ত করতে শিগগির ফিজিবিলিটি স্টাডিজ শুরু করবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এই প্রকল্প পুরোপুরি চালু হতে আরও চার পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে।

তিনি বলেন, নদীদূষণ নিয়ে সরকার খুবই উদ্বিগ্ন। এ ব্যাপারে আজকের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আমরা যেকোনো মূল্যে ঢাকার চারটি নদী উদ্ধার ও দূষণমুক্ত করবো। এ ব্যাপারে সরকার কঠোর হবে।

বৈঠকে নৌমন্ত্রী ছাড়াও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক এবং দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন উপস্থিত ছিলেন।

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী জানান, নদী দূষণের ৬০ ভাগ হয় শিল্পবর্জের কারণে। এর অন্যতম কারণ ট্যানারি। এজন্য ট্যানারি শিল্প ঢাকার বাইরে নেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আজকের বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে, রাজধানী থেকে ট্যানারি শিল্প সরাতে মন্ত্রণালয় যেন আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। নির্দিষ্ট সময়ে ট্যানারি না সরালে কারখানা বন্ধ করে দেয়ার হুঁশিয়ারিও দেয়া হয় বৈঠক থেকে।






মন্তব্য চালু নেই