মেইন ম্যেনু

তামিমকে হারানো ছিল আরেক ধাক্কা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের একদিন আগে তাসকিন-সানীকে হারায় বাংলাদেশ। সেই ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই তামিম ইকবালকে হারায় বাংলাদেশ।

সোমবার ম্যাচের দিন সকাল থেকেই তামিম পেটের পীড়ায় ভুগছিলেন। খুব করে চেয়েছিলেন ম্যাচ খেলতে। ওষুধ খেয়ে ম্যাচের আগে মাঠে এসে দৌড়েছিলেন কিছুক্ষণ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পেটের পীড়ার কাছে হার মানেন দেশসেরা এ ওপেনার। একাদশ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন।

ম্যাচ শেষে তামিমকে নিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘তামিমকে হারানো আমাদের জন্যে ছিল আরেকটি ধাক্কা। এমনিতেই দুর্ভাগ্যবশত দুজন খেলোয়াড় আমাদের সঙ্গে নেই। তার ওপর দুর্ঘটনাক্রমে আজ সকাল থেকেই তামিমের শরীর খারাপ। আমরা দুপুর পর্যন্ত আশাবাদী ছিলাম তামিমকে পেতে। ও নিজে মাঠে এসে একটু রানিং করে নিজেকে দেখেছে। কিন্তু পরবর্তীতে আর পেরে উঠেনি।’

নিয়মিত একাদশের তিন ক্রিকেটারকে মাঠের বাইরে রেখে দল চালানো খুব কঠিন। তা ম্যাচ শেষে বলতে একটু দ্বিধা করেননি টাইগার দলপতি। এক প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন,‘মূল একাদশের তিনজন খেলোয়াড় বাইরে যাওয়া ও টপ ফর্মের খেলোয়াড় চলে যাওয়া দলের জন্যে বাড়তি কষ্ট। তাদের রিপ্লেসমেন্ট তাদের মতো করে করা যায় না। তারপরও আমরা যথাযথ চেষ্টা করেছি আজ। কিন্তু অনেক কিছুই পরিকল্পনামতো হয়নি।’

ইনজুরি কাটিয়ে ছয় ম্যাচ পর মুস্তাফিজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলে ফেরেন। ৪ ওভার পুরোদমে বোলিং করে ৩০ রানে মূল্যবান ২টি উইকেট নেন। বাহাতি বোলিং কারিশমায় আউট করেন স্টিভেন স্মিথ ও মিচেল মার্শকে।

মুস্তাফিজের কামব্যাক ম্যাচে পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হয়ে মাশরাফি বলেন,‘মুস্তাফিজ ইনজুরির আগ পর্যন্ত আমাদের সেরা বোলার ছিল। আগেও সে ভালো করেছে। আজকেও করেছে। তার সামনের ম্যাচের পারফরম্যান্স আরো ভালো হবে।’






মন্তব্য চালু নেই