মেইন ম্যেনু

তামিম চৌধুরী বাংলাদেশেই : আইজিপি

গুলশানের হলি আর্টিজান হামলায় মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পুলিশের চিহ্নিত তামিম আহমেদ চৌধুরী দেশেই আছেন বলে দাবি করেছেন পুলিশ প্রধান এ কে এম শহীদুল হক।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে কমিউনিটিং পুলিশ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে এক সেমিনারে আইজিপি এ কথা বলেন।

এই তামিমই আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের বাংলাদেশ শাখার কথিত প্রধান শায়খ আবু ইব্রাহিম আল হানিফ বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম। জঙ্গিদের মুখপাত্র দাবিকে বাংলাদেশে আইএসের কথিত কর্মকাণ্ড নিয়ে আর একটি সাক্ষাৎকারও প্রকাশ হয়েছে। তবে বাংলাদেশে আইএসের অস্তিত্ব স্বীকার করে না পুলিশ।

তামিম চৌধুরী সাম্প্রতিক জঙ্গি তৎপরতায় সমন্বয়কারী বলে দাবি করছে বাহিনীটি। গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যার ‘নাটের গুরু’ হিসেবে তাকেই চিহ্নিত করেছে পুলিশ। আর ২৬ জুলাই কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের পর করা মামলাতেও তামিম চৌধুরীকেই প্রধান আসামি করেছে পুলিশ।

তামিম চৌধুরী পাঁচ সহযোগীসহ ভারতে চলে গেছেন- এমন তথ্য ঢাকার পক্ষ থেকে দিল্লীকে দেয়া হয়েছে বলে সে দেশের গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তবে বাংলাদেশ পুলিশ এই তামিম চৌধুরী ও বহিষ্কৃত সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল হককে ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করেছে।

আইজিপি বলেন, ‘আমরা জঙ্গিদের মাস্টার মাইন্ড দুইজনের জন্য ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছি। এরা দেশের ভেতরেই আছে। আপনারা আমাদেরকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন। আপনাদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন করা হবে।’

আইজিপি বলেন, ‘জঙ্গিদের ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলে তৎপরতায় মুসলমানরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে কিছু মানুষ খেলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এরা বলে, মানুষের তৈরি সংবিধান চলবে না। জিহাদ করতে হবে। আমরা যাদেরকে গ্রেপ্তার করেছি তাদেরকে বলেছি তোমরা ভুল কর। কিন্তু তারা আমাদেরকে বলেছে আপনারা আমাদেরকে মেরে ফেলেন।’

জঙ্গিদের পথ ভুল উল্লেখ করে শহীদুল হক বলেন, ‘তারা চায় এদেশে কোন অমুসলিম থাকতে পারবে না। এ জন্য তারা হিন্দু পুরোহিতদেরকে হত্যা করেছে। কিন্তু আমরা যদি মদীনার সনদ লক্ষ্য করি তাহলে দেখা যায়, সেখানে সব ধর্মের লোক বাসবাস করতেন। শান্তির জন্য বিধর্মীদের সকল শর্ত মেনে নেওয়া হয়েছিল।’

সন্তানদের প্রতি নজর রাখতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘যারা যেন সঠিক পথে তাদের মেধার চর্চা করে, বিপথে না যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।’

অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের লেখনিরও সমালোচনা করেন আইজিপি। বলেন, ‘মুক্ত চিন্তা করতে গিয়ে কেউ কেউ ব্লগার হচ্ছেন। তারা লেখনীর মাধ্যমে ক্ষতি করছে। আর জঙ্গিরা হত্যা করে সমাজ ও রাষ্ট্রের ক্ষতি করছে।’






মন্তব্য চালু নেই