মেইন ম্যেনু

‘তারা’ আসলে কারা?

রাশেদা রওনক খান : সারাদেশ এখনও স্তব্ধ, শোকে কাতর! ডিজিটাল পৃথিবীর কল্যাণে এই মুহূর্তে মনে হতেই পারে, আমাদের কাছে সব খবর চলে এসেছে। আমরা জেনেছি, কতজন মারা গেল, কিভাবে মারা গেল, কে কোন দেশের নাগরিক, কয়জন জঙ্গি। এই জঙ্গি তরুণদের মধ্যে কয়জন উচ্চবিত্ত ঘরের সন্তান, কয়জন মধ্যবিত্ত, তাদের কয়জন দেশের সবচেয়ে ‘এলিট’ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষালাভ করার পরও জঙ্গি হয়েছে, কয়জন কিভাবে বড় হয়ে উঠেছে, ইত্যাদি। এ সব তথ্য নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

কিন্তু আসলে কি আমরা কিছু জেনেছি? আদৌ আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব? আমরা আসলে কিভাবে, কেন, কী প্রক্রিয়ায় এই ধরনের ঘটনা আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত ঘটছে, সে সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে তেমন কিছু জানি না। আসলে আমাদের কাছে কোনও খবর নেই। এখনও জানি না, হলি আর্টিজানের ভেতর কিংবা বাইরে কী ঘটেছিল, কিভাবে ঘটেছিল, কেবল ফল শুনেছি, দেখেছি। কিছু প্রশ্ন, কিছু ভাবনা সারাক্ষণ তাড়া করে বেড়াচ্ছে আমাদের।

দাবি করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলে সন্ত্রাসী ছিল ৬ জন, মারা গেছেন ৫ জন, ধরা পড়েছেন ১ জন। এছাড়া দেশি-বিদেশি নাগরিক এখন পর্যন্ত মারা গেলেন ২০ জন, বেঁচে আছেন ১৩ জন। এখন পর্যন্ত তথ্য বলছে ৩৫-৪০ জন মানুষকে জিম্মি করেছে মাত্র ৭ জন তরুণ সন্ত্রাসী। কল্পনা করছি, কিছু কী করা যেত ভেতর থেকে? কোনওভাবেই কি কিছু একটা পথ বের করা সম্ভব ছিল এই ৩৫-৪০ জন মানুষের পক্ষে? এখনও স্বপ্ন দেখতে মন চায় যে, যা ঘটে গেল, তা আসলে কোনও সিনেমার শ্যুটিং! জানি এটা সিনেমায় ধারণকৃত জঙ্গিদের জিম্মি করার কোনও দৃশ্য নয়, তবু মনের গহীনে একটা হা-হুতাশ কাজ করে, সিনেমার মতো কেউ যদি থাকতো যে বুঝতে পেরেছে মৃত্যু যখন নিশ্চিত, তখন একটা বুদ্ধি বের করা যায় কিনা, কোনও সম্মিলিত চেষ্টা চালানো যায় কিনা এই অস্ত্রধারী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে? নাহ, সম্ভব নয়, কেননা এটা কোনও সিনেমার শ্যুটিং নয়, একেবারেই বাস্তব জলজ্যান্ত ঘটনা। এবং এখানে কিভাবে একের পর এক দৃশ্যের সূত্রপাত করা হয়েছে, কিভাবে মেরে ফেলা হলো একে একে ২০ জনকে—সারাদেশ ধীরে ধীরে জানছে, বুঝতে পারছে। সব জেনে অসহায়ের মতো কাঁদছে মানুষ, কিছুই করতে পারছে না। কিছু একটা করতে গিয়ে প্রাণ হারালো ২জন পুলিশ অফিসার। তারা তবে কতটা শক্তিশালী, কতটা বীভৎসভাবে মানুষ মারার এই নীল নকশা করেছিল এবং তা বাস্তবায়ন করছিল?

তার মানে এই ৭ জন কতটা শক্তিশালী এবং কতটা ‘তৈরি’ হয়ে এসেছিল, তা কি কিছুটা আঁচ করা যায়? এতটা ‘তৈরি’ হয়ে আসার অর্থ হচ্ছে, তাদের কাছে অনেক শক্তিশালী গ্রেনেড, বোমাবারুদ ছিল। গণমাধ্যমের কল্যাণে যেসব ছবি দেখা যাচ্ছে, সন্ত্রাসীরা অত্যন্ত বীভৎসভাবে জবাই করেছে জিম্মিদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে। মনে প্রশ্ন জাগে—এতসব আয়োজন করে এই ৭ জন যুবক গুলশানের মতো এত অভিজাত, নিরাপদ, কূটনীতিক পাড়ায় একটি রেস্টুরেন্টে ২/৩ টি ফাঁকা আওয়াজ দিয়ে দিব্যি ঢুকে পড়লো, অথচ কেউ টের পেলো না? গেটে গার্ড কিংবা দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী, তারা কোথায় ছিল? তাদের চোখে কি একেবারের জন্যও ধরা পড়েনি কিছু? তারা এখন কোথায়?

তাদেরকে কি মেরে ফেলা হয়েছে? নাকি তারা পালিয়েছে? কয়জন দারোয়ান ছিল তখন? তারা কি সকল অস্ত্র তখন সঙ্গে করেই নিয়ে ঢুকেছিল নাকি ষড়যন্ত্রের এই নিল নকশার বাস্তবায়নের কাজ আরও আগে থেকেই চলছিল? এত বড় জিম্মি যজ্ঞ ঘটিয়ে ফেলার জন্য রেস্টুরেন্টের ভেতর থেকে কেউ তাদের সাহায্য করেছিল? সেই সহযোগিতার হাত হয়ত তাদের এই অপকর্মকে অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিল!

২.
এই সন্ত্রাসী তরুণদের পরিচয় কী? তারা কারা? আমাদের দেশের নাকি বাইরের? শোনা যাচ্ছে, তাদের কেউ কেউ হিন্দিতে কথা বলছিল ইংরেজির পাশাপাশি, তা দিয়ে কি কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটন হয়? এক হতে পারে তাদের মাঝে কেউ অন্য কোনও দেশের নাগরিক ছিল। তবে হিন্দি সিরিয়াল, কার্টুন, গেমস এবং সিনেমার কল্যাণে এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে বাচ্চারা হিন্দিতে কথা বলতে পারে! তবে ভিন দেশের কেউ এই বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে, এই সন্দেহ উড়িয়ে দেওয়া যায় না!

যাইহোক, যেসব জঙ্গির ছবি ছাপানো হয়েছে, তাদের খুঁজে পেতে আমাদের সময় তেমন লাগছে না। তাদের ছবি দেখে মনে হচ্ছে, তারা আমাদের চারপাশের পরিচিত মানুষের ভেতরই ছিল। আমাদের সমাজেরই বন্ধু-বান্ধব-আত্বীয়স্বজন। শুনতে খটকা লাগলেও এটাই আজ চরম সত্যি। তাদের ফেসবুকে উঁকি দিলেই পাওয়া যাচ্ছে তাদের সম্পর্কে সব তথ্য। তাদের ফেসবুক পেজ দেখলে বোঝার উপায় নেই, বিশ্বাস হবে না যে, এই ছেলেগুলো এত বড় সন্ত্রাসী হয়ে উঠেছে, যারা নিজের দেশে নিজের মানুষজনের এত বড় ক্ষতি করার জন্য নিজের জীবন দিতে প্রস্তুত হয়ে বসে আছে !

এই বয়সে তো তাদের ‘মানবতার’ জয়গান গাওয়ার কথা, দেশ গড়ার স্বপ্নে বিভোর থাকার কথা, এই বয়সে সামাজিক বিভিন্ন কাজে স্বেচ্ছাসেবক হয়ে কাজ করার কথা, তাদের এখন অনেক স্বপ্ন দেখা ও দেখানোর কথা, অনেক জীবনমুখী গল্প শোনা এবং শোনানোর কথা! কেননা তাদের প্রত্যেকেই বাংলাদেশের সবচেয়ে ‘দামি’ স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা! আর এইসব ‘দামি’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নাকি পাঠ্যবইয়ের চেয়ে ‘এক্সট্রা-কারিক্যুলাম’-এর দিকেই গুরুত্ব দেয় বেশি, তাহলে কোথায় গেল সেই গুরুত্বের ফল?

আমাদের দেশের একদল বাবা-মা মনে করেন, টাকা দিয়ে ‘দামি’ বিদ্যালয়ে পড়ালেই বুঝি ছেলে তাদের ‘মানুষ’ হয়ে যাবে! মা-বাবাদের বলতে চাই, এখনও সময় আছে, পুঁজিবাদের গ্যাঁড়াকলে পড়ে ছেলে মেয়েদের পেছনে অযথা ‘টাকা’ খরচ না করে নিজে কষ্ট করে ‘যত্ন’ নিন। কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না। একজন বাবা সারাদিন টাকা ‘তৈরির মেশিন’ হয়ে বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়াবেন, ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে নিশিরাতে বাড়ি ফিরবেন আর মা সেই টাকায় সন্তানকে ‘স্কলাস্টিকা’, ‘নর্থ সাউথ’ -এর মতো ‘দামি’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করিয়ে নিজেকে একজন ‘গর্বিত’ ও ‘ধনী’ ভেবে আত্মতুষ্টিতে ভুগে শপিং, পার্লার আর হিন্দি সিরিয়াল দেখে সময় কাটাবেন, তারপর তারা আশা করবেন, তাদের সন্তান মানুষের মতো মানুষ হয়ে উঠছে—এই ধারণা যে কতটা ভুল, তা আজ এই পথভ্রষ্ট জঙ্গিদের দেখলেই বোঝা যায়।

আমার মা বলেন, ‘সন্তান লালন পালন এতটা সহজ কাজ নয়, তাহলে সব সন্তানই সুসন্তান হতো, পৃথিবীতে আর কুসন্তান থাকত না’! সন্তানকে সময় মতো ডাইনিং টেবিলে খাবার দিলে, তাদের সকল চাহিদা পূরণ করলেই যদি সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের কর্তব্য শেষ হয়ে যেত, তাহলে আর ‘সফল মা-বাবা’ বলে কিছু থাকতো না এই পৃথিবীতে। পুঁজিবাদী সমাজ আমাদের কেবল ছুটতে শিখিয়েছে, টাকা বানানোর জন্য এই অনবরত ছুটে চলা! এই ছুটে চলার মাঝে বাবা-মায়েরা নিজেরা তো ছুটছেই, সন্তাদেরও শেখায় কী করে ছুটতে হবে, কিভাবে ‘ধন-সম্পদের’ মালিক হতে হবে।

একটি পরিবার কোনও এক ঈদের ছুটিতে দেশের বাইরে যাচ্ছে, জিজ্ঞাসা করলাম, ঈদ ভালো লাগে দেশের বাইরে করতে? উত্তর শুনে তো আমি অবাক, ‘না ভাবি, আমারও ভালো লাগে না ঈদ দেশের বাইরে করতে, কিন্তু বাচ্চাদের স্কুল খুললেই সবাই গল্প করতে শুরু করে এবার কোন দেশে, কোথায় কোথায় বেড়ালাম! বাচ্চারা ফেসবুকে ছবি দেখে অন্যদের যেতে দেখে, তখন তাদের মন খারাপ হয়, তাই আর কি এই দেশ সেই দেশ নিয়ে যাই!’ বলে কী! মনে মনে এই পুঁজিবাদী সমাজের ‘প্রতিযোগিতামূলক’ আচার-আচরণে অবাক হই! আমাদের সময়ে বাবা-মা দাদা বাড়ি, নানা বাড়ি নিয়ে যেত, আর এখন শুরু হয়েছে বৈশ্বিক ভ্রমণ! সে না হয় ঠিক আছে, কিন্তু আমরা যেতাম নানাবাড়ি অপার আনন্দ লাভের জন্য! আর এখন এই বৈশ্বিক ভ্রমণের উদ্দেশ্য বন্ধুদের সঙ্গে পাল্লা দিয়া ঘুরলো, স্ট্যাটাস রক্ষার জন্য! এই অসুস্থ প্রতিযোগিতার ভেতরে থেকে একজন সুস্থ সন্তান কিভাবে বের হয়ে আসবে? আমাদের সমাজ যে প্রতিযোগিতার দিকে ধাবিত হচ্ছে, তা হতে এখনই বের হয়ে আসতে হবে।

৩.
এই ৫ তরুণ সন্ত্রাসীর মা-বাবা-ভাই-বোনের ছবি, পরিচয় অনেক কিছুই পাওয়া যায় তাদের ফেসবুক আইডি থেকে। সেই সূত্র ধরে তাদের সামনে নিয়ে আসা দরকার। কোনও লুকোচুরির জায়গা নেই এখানে। তাদের সামনে আনলেই অনাগত দিনগুলোতে যারা এই ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাদের দমানোর একটা পন্থা হতে পারে। এই ৫ জঙ্গি দিয়েই বুঝা যাচ্ছে আমাদের তরুণ সমাজের একটা অংশকে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ‘মগজ ধোলাই’ করে সমাজে ছড়িয়ে দিয়েছে।

এই ধোলাইকৃত মগজকে আমাদের সঠিক পথে আনতে হবে। এখনই এইসব তরুণদের বাবা-মাকে কথা বলতে দিতে হবে—তারা সন্তান লালন-পালনে কী ধরনের ভুল করেছেন? কিভাবে তাদের সন্তানেরা তাদেরই দোষে এই ধরনের হীন কাজে যুক্ত হলো? সন্তানদের কী কী ইঙ্গিত তারা বুঝতে পারেনি, যা তাদের বোঝা উচিত ছিল? কিভাবে কখন তারা বাবা-মায়ের সঙ্গে মিথ্যা বলতো, কিভাবে বাবা-মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা এতবড় ‘সন্ত্রাসী’ হয়ে উঠলো? কিভাবে তারা দিনে দিনে পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে দিলো? কিভাবে সমাজ থেকে তারা বিযুক্ত হতে থাকলো?

কেন বাবা-মা তাদের ওপর প্রভাব খাটাতে পারেননি? তাদের মনোজগতের কী কী পরিবর্তন হয়েছিল, যা তারা এখন টের পাচ্ছেন? তাদের মাঝে কজন বাবা-মা প্রতিদিন তাদের এই সন্তাদের নিয়ে ৫/১০ মিনিট গল্প করেছেন, জানতে চেয়েছেন তারা কী করছে, আর কী করছে না? তাদের বন্ধু হতে চেষ্টা করেছেন কখনও? তারা কাদের সঙ্গে মিশে, কাদের সঙ্গে ইন্টারনেটে সময় কাটাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে, কেন যাচ্ছে—এসব প্রশ্ন করেছিল খুব বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের মধ্যদিয়ে? তাদের সঙ্গে অন্যান্য ভাই-বোনের সম্পর্ক কেমন ছিল? ধীরে ধীরে কি সম্পর্কের ধরনগুলোতে পরিবর্তন চলে আসছে? তারা কি নামাজ পড়তো? যদি নামাজ পড়তো, তাহলে তো এশার নামাজ ফেলে খতমে তারাবিহ রেখে এই মানুষ মারার জন্য এখানে আসতে পারতো না!

তবে কি তারা আল্লাহকে ভয় পেতো না? যদি তারা আল্লাহকে ভয় পেত, সহি মুসলমান হতো, তবে কি তারা জীবন থেকে একটা শব-ই-কদরের রাতের ফজিলত থেকে নিজেদের বঞ্চিত করতো? তাহলে তাদের ধর্মীয় চেতনা কেমন ছিল? কিভাবে তারা ইসলামের ধর্মীয় অনুভূতিকে ধারণ করতো? তাদের ধর্মীয় মতাদর্শ তাহলে কী ছিল? এসব বিষয়ে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক কথা-আলাপ-আলোচনাই হতে পারে এই মুহূর্তে আমাদের সমাজে একমাত্র মুক্তির উপায়।

এই সমস্যার কোনও রাজনৈতিক সমাধান আশা করা ঠিক হবে না। কারণ উত্তরাধুনিক এই সময়ে রাজনীতি নিজেই অসম্ভব কলুষিত দেশে কিংবা আন্তর্জাতিকভাবে। তাই আমাদেরই পারিবারিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। খোদ প্রধানমন্ত্রী এই সংকট সমাধানের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন পরিবারকেই, তাই তার ভাষণে অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনার সন্তানকে সুশিক্ষা দিন। তারা যেন বিপথে না যায়, সেদিকে নজর রাখুন।’ সত্যিই এখন পরিবারকেই এগিয়ে আসতে হবে। এই নজরদারি আমাদেরও করতে হবে, আমরাও এই দায় এড়াতে পারব না।

আমাদেরই বন্ধু-বান্ধব-আত্মীয়-পরিজন কাউকে যদি এই ধরনের সন্দেহমূলক কাজে লিপ্ত হতে দেখা যায়, পরিবার কিংবা সমাজের উঠতি যুবকদের মাঝে যদি অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যায়, তাহলে আমাদের ভালোবাসার হাত এগিয়ে দিতে হবে, বাবা-মাকে জানাতে হবে, প্রয়োজনীয় যা যা পদক্ষেপ, তাই নিতে হবে। আমাদের এখন সময় জেগে ওঠার, তাদের সঠিক পথে নিয়ে আসার।

নিজেদের সমালোচনা করে সময় নষ্ট করার সময় নেই, রাজনৈতিক পরিবেশের কথা বলেও সময় নষ্টের আর সময় নেই! জঙ্গি নির্মূলে আমাদের এখন একসঙ্গে শপথ নেওয়ার পালা। নয়তো সারা বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে ফেলতে তাদের বেশিদিন সময় লাগবে না। আসুন সময় থাকতে সামাজিক-পারিবারিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

লেখক: শিক্ষক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।






মন্তব্য চালু নেই