মেইন ম্যেনু

তারা কোটিপতি হয়েও হয়েছেন সন্ন্যাসী, কিন্তু কেন?

তারা কোটিপতি থেকে হয়েছেন সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী! বিলাসবহুল জীবন থেকে একেবারে সাধারণ জীবন।শুধু সিদ্ধার্থ গৌতম বা মহাবীরই রাজপ্রাসাদ ছেড়ে সন্ন্যাস নেননি‚ এরকম নিদর্শন দেখা যাচ্ছে আজও। আসুন এমন কয়েকজনকে দেখি।তারা কেন বিলাসবহুল ছেড়ে সন্ন্যাসী জীবন গ্রহণ করেছেন।

শিবিন্দর মোহন সিংহ : কোটিপতি এই শিল্পপতি ফোর্টিস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। কিন্তু সম্প্রতি তিনি সব ছেড়ে জনসেবায় উৎসর্গ করেছেন নিজের জীবন। ফোর্টিস গ্রুপের এক্সিকিউটিভ পদ ছেড়ে আত্মনিবেদন করবেন অমৃতসরের এক ধর্মীয় সংস্থায়।

বনওয়ারলাল রঘুনাথ দোশী : একদা দিল্লির প্লাস্টিক-সাম্রাজ্যের অধীশ্বর এখন জৈন সাধু। ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তি ত্যাগ করে গ্রহণ করেছেন সন্ন্যাস।

লিউয়িং চোং : একে বলা হত চীনের টেক্সটাইল টাইকুন। গাড়ি দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরার পরে পাল্টে গেছে তার জীবনদর্শন। এখন মন্দিরে একাকী জীবন অতিবাহিত করেন।

বেন আজহান সিরি পানয়ো : মালয়েশিয়ার কোটিপতি ব্যবসায়ী আনন্দ কৃষ্ণণের মেজো ছেলে। পৈতৃক সম্পত্তি নেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। বেঁচে থাকার জন্য অবলম্বন করেন ভিক্ষাবৃত্তি।

জন পেডলে : গ্রেট ব্রিটেনের নামী শিল্পপতি। দুর্ঘটনা থেকে আশ্চর্য রক্ষা পান। এখন সব ছেড়ে উগান্ডায় একটি মাটির কুটিরে থাকেন।

জেল ক্রাভিনস্কি : নামী মার্কিনী ইনভেস্টর। বিবিধ সংস্থায় দান করেছেন ৪৫ মিলিয়ন ডলার। এমনকী‚ নিজের একটি কিডনিও দান করে দিয়েছেন এক অপরিচিতকে।






মন্তব্য চালু নেই