মেইন ম্যেনু

তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের জন্য খান এই প্রোটিনগুলো

সবাই চায় তারুণ্যদীপ্ত ত্বক। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ত্বক তার উজ্জ্বল হারাতে থাকে। স্ট্রেস, অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা, ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি, ধূমপান, দূষণ এবং ব্যয়ামের ঘাটতি ত্বকের বয়স বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ত্বকের ডারমিসের কোলাজেন ও ইলাস্টিনের উৎপাদন কমতে থাকে ফলে ত্বক ঝুলে যায়। কোলাজেন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা, কমনীয়তা ও তারুণ্য ধরে রাখে। স্বাস্থ্যবান ও সুন্দর ত্বক, চুল ও নখের জন্য আপনার অনেক প্রোটিন জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা প্রয়োজন ত্বকের সৌন্দর্যের জন্য। ত্বকের প্রোটিনের প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য মাংস ও মাছ বাদে প্রোটিন সমৃদ্ধ কিছু খাবারের কথা জেনে নেই আসুন।

১। ডিম
প্রোটিনের খুবই সমৃদ্ধ উৎস হচ্ছে ডিম। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য দিনে ২টা ডিম খাওয়া যেতে পারে।

২। টোফু
উচ্চমাত্রার প্রোটিন থাকে টোফুতে। এতে নিম্নমাত্রার কার্বোহাইড্রেট থাকে এবং কোন কোলেস্টেরল থাকেনা। ১০০ গ্রাম টোফুতে ৫২ গ্রাম প্রোটিন থাকে। আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই সুপারফুডটি রাখতে পারেন পর্যাপ্ত প্রোটিন পাওয়ার জন্য।

৩। ডাল ও স্প্রাউট (অংকুরিত ডালজাতীয় শস্য)
১০০গ্রাম কাঁচা স্প্রাউটে ৩.৪ গ্রাম প্রোটিন থাকে। ডা. জয়শ্রী শারদ তাঁর “স্কিন টক” বইয়ে সালাদে স্প্রাউটের সাথে ঘরে তৈরি পনির মিশাতে এবং মেয়োনেজের পরিবর্তে দই খাওয়ার পরামর্শ দেন।

৪। বীজ
জলখাবার খেতে ভালোবাসেন আপনি? তাহলে একমুঠ বীজ ভাজা খেতে পারেন প্রতিদিন। আর তা হতে পারে সূর্যমুখীর বীজ, চিনাবাদাম, আখরোট, কাজুবাদাম, কাঠবাদাম অথবা মিষ্টি কুমড়ার বীচি। এটি প্রোটিনের চাহিদা পূরণের অনেক ভালো একটি উপায় এবং এরা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে।

৫। সয়া
সয়া দুধ বা সয়া আটা প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন অথবা এটি হতে পারে স্বাস্থ্যকর পানীয়ের বিকল্প। আপনার প্রোটিন শেক প্রতিস্থাপন করতে পারেন এক গ্লাস সয়া দুধ দিয়ে। রুটি তৈরির ক্ষেত্রে গমের আটার পরিবর্তে সয়া আটা ব্যবহার করুন। সয়া প্রোটিন বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। সয়াতে প্রাকৃতিক উদ্ভিজ প্রোটিন জেনিস্টেলিন থাকে। এই হরমোন কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ও শক্তি বৃদ্ধি করে। সয়াতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের যত্নে জাদুর ন্যায় কাজ করে। ফ্রি র‍্যাডিকেল প্রধানত কোষের ক্ষতির জন্য দায়ী, এই ফ্রি র‍্যাডিকেলের উৎপাদনকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ত্বকের যত্নে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা হচ্ছে ত্বককে অভেদ্য করা।

৬। আমন্ড দুধ
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্যের বিকল্প হিসেবে আমন্ড দুধ অনেক পুষ্টিকর। আমন্ড দুধ বা কাঠবাদামের দুধ উদ্ভিজ প্রোটিনের উৎস এবং এতে ল্যাকটোজ থাকেনা। এই উচ্চমাত্রার প্রোটিন চুলকে দীপ্তিময়, স্বাস্থ্যবান ও উজ্জ্বল করে এবং ত্বককে নমনীয় রাখে।

উপরে উল্লেখিত খাদ্যগুলো আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যুক্ত করুন যাতে কোলাজেন বৃদ্ধি পায় এবং ত্বককে উজ্জ্বল ও তারুণ্যদীপ্ত করে।






মন্তব্য চালু নেই