মেইন ম্যেনু

তাহলে কি ‘অভিমান’ ভুলে ফিরছেন মেসি!

সপ্তাহ খানেক আগে তাঁর অবসর ঘোষণার পর থেকেই প্রশ্নটা ঘুরে বেড়াচ্ছিল বাতাসে, ‘মেসি কি আসলেই আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে চিরতরে বিদায় বলে দিয়েছেন? নাকি এ শুধুই সাময়িক অভিমান, কিছুদিন পরই আবার আকাশি-নীলে উজ্জ্বল হয়ে ফিরবেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক?’

আর্জেন্টিনার শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা লা নাসিওনের প্রতিবেদন, দ্বিতীয়টিই সত্যি হতে চলেছে। এক প্রতিবেদনে পত্রিকাটি জানিয়েছে, লিওনেল মেসির অবসর ঘোষণাটা আসলে সাময়িক বিরতির মতোই হতে যাচ্ছে। বিরতি শেষে আবারও জাতীয় দলে ফিরবেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।

২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪ তিন বিশ্বকাপেই মেসির সঙ্গে খেলেছেন, এমন ঘনিষ্ঠ এক সতীর্থ লা নাসিওনকে বলেছেন, ‘ও ফিরবে। ২০১৮ বিশ্বকাপও ওর ভাবনায় আছে।’

শতবার্ষিকী কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে টাইব্রেকারে হেরেছে আর্জেন্টিনা। টানা তিন বছরে তিনটি বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে গিয়েও হারের যন্ত্রণা থেকেই হয়তো, ম্যাচের পরই আর্জেন্টিনার হয়ে আর না খেলার কথা জানিয়ে দেন মেসি। এরপর থেকে মেসিকে সিদ্ধান্ত পাল্টানোর জন্য যেন রীতিমতো ‘আন্দোলনে’ রূপ নিয়েছে।

ডিয়েগো ম্যারাডোনা, পেলের মতো কিংবদন্তিরা তাঁকে সিদ্ধান্ত বদলানোর অনুরোধ করেছেন। আর্জেন্টিনার মানুষও এরই মধ্যে বুয়েনস এইরেসের রাস্তায় নেমে এসেছেন মেসিকে আবারও আর্জেন্টিনার জার্সিতে ফেরানোর দাবি নিয়ে। এমন অবিশ্বাস্য সমর্থনে কী একটু মন গলেছে মেসির? হয়তো বা।
তবে ফিরলেও কখন ফিরবেন মেসি? উত্তরটা জানতে অবশ্য অপেক্ষা করতেই হচ্ছে। সেপ্টেম্বর থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ। সেপ্টেম্বরের ২ ও ৬ তারিখে উরুগুয়ে ও ভেনেজুয়েলা, এরপর অক্টোবরেও দুটি ম্যাচ—পেরু ও প্যারাগুয়ে। নভেম্বরে আছে বড় দুটি ম্যাচ, ৭ নভেম্বর ব্রাজিল, আট দিন পর কলম্বিয়া। মেসি ঠিক এর কোন ম্যাচটি দিয়ে আবারও আলবিসেলেস্তে জার্সিতে ফিরবেন, সেটি এখনই নিখুঁতভাবে বলা যাচ্ছে না।

লা নাসিওনের প্রতিবেদনই (গুগল ট্রান্সলেটর যদি সঠিক অনুবাদ করে থাকে) ভরসা, ‘এই মুহূর্তে পরিবারের সঙ্গে বাহামাতে ছুটি কাটাচ্ছেন মেসি। এখনই তার ফেরার তারিখ নিয়ে নিখুঁতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। কিছুদিন অপেক্ষা করতেই হচ্ছে। তবে সঙ্গে এটাও জেনে রাখুন, নাটকের শেষটা ঠিক হয়েই আছে—মেসি ফিরে আসবেন।’






মন্তব্য চালু নেই