মেইন ম্যেনু

তীব্র গরমেও সুস্থ থাকবেন যেভাবে

শরতের প্রায় শেষ তবু কমছে না ভ্যাবসা গরমের আধিপত্য। দিনরাত জুড়ে একই আবহাওয়াই থাকতে গিয়ে খুব দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই। বিশেষ করে নগরজীবনের বন্দী খাঁচায় যাদের দিন পার তাদের অবস্থা আরও করুণ। তীব্র গরমে শিরশিরে অনুভূতি, জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, কাশি, পেটের সমস্যা ইত্যাদি লেগেই আছে।

গরমের দিনে হালকা পাতলা খাবার খেতে হবে। সাধারণ সবজি, ডাল, মাছ খেলে ভালো হয়। বেশি মসলাদার খাবার না খাওয়াই ভালো। কারণ মসলাদার খাবার আপনার শরীরকে বেশি গরম করে রাখে। প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। ফলের জুস খেতে পারেন, তবে তা অবশ্যই বাড়িতে তৈরি হতে হবে। ডাবের পানি এসময় খুবই উপকারী। প্রচুর ঘামের কারণে দেহের প্রয়োজনীয় লবণ-পানি বের হয়ে যায়, তাই দিনে অন্তত দুটি খাবার স্যালাইন খাওয়া ভালো। দুর্বলতা কাটিয়ে আপনাকে গরমের ভেতরেও স্বস্তি এনে দেবে।

এসময় চা, কফি বা কোল্ড ড্রিংকস একেবারেই বাদ দেয়া উচিৎ। কারণ এগুলো পান করলে রক্তে হঠাৎ করে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায়। এসব পানীয় গরম লাগাসহ অসুস্থও করে দিতে পারে সহজে। সুস্থ থাকতে এসময় বাইরের ফাস্ট ফুডকেও একেবারে না বলে দিন।

সম্ভব হলে বারবার গোসল করতে পারেন। বারবার গোসল সম্ভব না হলে ভেজা গামছা দিয়ে শরীর মুছতে পারেন। গরমের সময় বার বার হাতমুখে পানির ঝাপটা দিন। পানির ঝাপটায় ভালো লাগবে, সুস্থও থাকবেন।

গরমের সময় বাইরে বের হওয়ার আগে সঙ্গে অবশ্যই একটা ছাতা রাখতে হবে। শুধু রাখলেই হবে না, রাস্তায় বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছাতা মেলে মাথায় ধরতে হবে। রোদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চললে কষ্ট কিছুটা কম হবে। গরমের দিনে পোশাক হতে হবে ঢিলেঢালা, হালকা রঙের এবং পাতলা কাপড়ের। ঢিলেঢালা পোশাক শরীরের অস্বস্তি কমায়। হালকা রং কম গরম ধরে রাখে এবং পাতলা কাপড়ে শরীরের ভেতর বাতাস ঢুকতে সাহায্য করে।

রোদে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। আমাদের আবহাওয়ায় সান প্রটেকশন ফ্যাক্টর বা এসপিএফ ৩০ এর উপর হলে বেশি ভালো হয়। এই সময় বিশেষ করে মেয়েরা প্রসাধনী কম ব্যবহার করবে। কারণ বেশি প্রসাধনী মুখের ওপর ভারি আবরণ তৈরি করে। আর তখনই গরমও বেশি লাগে।

বাচ্চাদের শরীরেও খুব বেশি পাউডার না দেয়াই ভালো। তবে শরীর বারবার মুছে দিন। ঠাণ্ডার সমস্যা না থাকলে দিনে দুই বার অন্তত গোসল করাতে হবে।






মন্তব্য চালু নেই